BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিরল কুমির সদৃশ মাছের দেখা মিলল কলকাতায়

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 22, 2016 4:28 pm|    Updated: June 22, 2016 5:10 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাছ না কুমির? প্রথম দেখায় হতচকিত হয়ে যাবেন যে কেউ৷ কেননা এই মাছ অন্তত কলকাতাবাসীর চোখে আগে পড়েনি৷ বেলেঘাটার সুভাষ সরোবর থেকে উদ্ধার হল এই বিরলদর্শন মাছটি৷

এই মাছের যা ক্ষমতা তাতে একটি লেকের সমস্ত মাছকে মেরে ফেলতে পারে এটি৷ স্থানীয় মৎস্যশিকারি শিবু মন্ডল এই মাছটিকে ধরার পরই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে৷ এই মাছ কলকাতার লেকে কীভাবে এল তা নিয়েও ধন্দে সকলে৷ লম্বায় মাছটি প্রায় সাড়ে ৩ ফুট৷ ওজন প্রায় ৫ কেজি৷ ‘অ্যালিগেটর গার’ প্রজাতির এই মাছ রাক্ষুসে প্রকৃতির৷ শুধু অন্য মাছকেই যে তা আক্রমণ করে তা নয়, মানুষের ওপর আক্রমণের ঘটনাও আছে৷ এই মাছের ডিমও বেশ বিষাক্ত প্রকৃতির৷ স্বাভাবিক ভাবেই এই মাছের ছায়া মাড়ায় না অন্য জলজ প্রাণীরা৷ তাই বেশ নিরাপদেই থাকে এগুলি৷ তেলেঙ্গানায় এই মাছের উপদ্রব রীতিমতো মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে৷ কলকাতায় এর দেখা মিলল এই প্রথমবার৷

_aa9819b4-3842-11e6-8c9c-cf7838564d36 (1)

কলকাতায় এই মাছের বাস ছিল না৷ তাহলে এল কী করে? বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অ্যাকোরিয়ামের শখ আছে যাঁদের, তাঁরা নানা ধরনের মাছ কেনেন৷ কিন্তু একবার এ মাছ স্বমূর্তি ধারণ করলে তাকে অ্যাকোয়িরায়েম আটকে রাখা যায় না৷ তখনই হয়ত কেউ মাছটিকে জলাশয়ে ফেলে দিয়েছে৷ অন্য বিরল প্রজাতির মাছের ক্ষেত্রে এরকম ঘটনা আগেও ঘটেছে৷ তা থেকেই এই মাছের আগমনের এহেন কারণ অনুমান করা হচ্ছে৷

এই মাছ দেখে প্রথমে ভয়ে চিৎকার করে ফেলেন শিবু৷ তিনি জানাচ্ছেন, বড় রুই বা কাতলা ছিপে পড়লে যেভাবে জলের গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করে, এই মাছ তা করেনি৷ বরং অনেকটা কচ্ছপের মতো অলস হয়ে বসে ছিল৷ সেই সময় তিনি মাছটিকে জলের উপরে তুলতে শুরু করেন৷ বিকট দর্শন এই মাছটিকে দেখে তখনই স্থানীয় লোকজনকে ডাকেন৷ শিবুর বন্ধুও এরকম একটি মাছ শিকার করেন৷ তিনি সে মাছ রান্নাও করেছিলেন৷ তিনি জানাচ্ছেন, এত শক্ত চামড়া হয় এই মাছের, যে তা করাত দিয়ে কাটতে হয়েছিল৷ মাছের স্বাদও অত্যন্ত তিক্ত বলে জানিয়েছেন৷ ‘জুওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া’র তরফে জানানো হয়েছে, মাছের নমুনা সংগ্রহ করতে প্রতিনিধিদের পাঠানো হয়েছে যাতে এই মাছ নিয়ে আরও গবেষণার পথ প্রশস্ত হয়৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement