Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
কলকাতা হাই কোর্ট

পার্শ্বশিক্ষকদের শর্তসাপেক্ষে অবস্থান বিক্ষোভ করার অনুমতি দিল কলকাতা হাই কোর্ট

অবস্থানকারীদের সংখ্যা যেন কোনওভাবেই ৩০০ না ছড়ায়, নির্দেশ আদালতের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০১৯, ১৭:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০১৯, ১৭:২৩

options
link
পার্শ্বশিক্ষকদের শর্তসাপেক্ষে অবস্থান বিক্ষোভ করার অনুমতি দিল কলকাতা হাই কোর্ট zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সবসময় ১৪৪ ধারার অজুহাতে কোনও সমাবেশ আটকানো যায় না। গত বুধবার পার্শ্বশিক্ষকদের অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যের সমালোচনা করে এই মন্তব্যই করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আর রবিবার হাই কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ শর্তসাপেক্ষে সল্টলেকের বিকাশ ভবনের সামনে পাশ্বশিক্ষকদের অবস্থান বিক্ষোভ করার অনুমতি দিল।

[আরও পড়ুন: মদের আসরে বচসা, খাস কলকাতায় বন্ধুর হাতে খুন যুবক]

কিছুদিন আগে পার্শ্বশিক্ষকদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে নদিয়ার কল্যাণীতে আন্দোলন করছিলেন পার্শ্বশিক্ষকরা। কিন্তু, রাতের অন্ধকারে তাঁদের উপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এরপরই গোটা রাজ্যজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। কল্যাণীর ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে কিছুদিন আগে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান করার অনুমতি চেয়ে বিধাননগর পুলিশের কাছে আবেদন জানান পার্শ্বশিক্ষকরা। কিন্তু, বিধাননগর পুলিশ আইনশৃঙ্খলার দোহাই দিয়ে অবস্থান বিক্ষোভের অনুমতি দিচ্ছিল না। বাধ্য হয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন আন্দোলনকারীরা। গত বুধবার এই মামলার শুনানির সময় এর কারণ জানতে চান বিচারপতি দেবাংশু বসাক।

Advertisement

এর উত্তরে রাজ্যের আইনজীবী অর্ক নাগ বলেন, ‘ওখানে বিকাশ ভবন ও জলসম্পদ ভবন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর রয়েছে। রয়েছে হাসপাতালও। তাই ওখানে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। ফলে পার্শ্বশিক্ষকদের অবস্থান বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি।’ এই কথা শুনে বিচারপতি বসাক প্রশ্ন করেন, বিকাশ ভবনের গেট থেকে ১৫০ ফুট দূরে সমাবেশ হলে অসুবিধা কোথায়? এভাবে ১৪৪ ধারার অজুহাতে কোনও সমাবেশ আটকানো যায় না।

[আরও পড়ুন: ‘কিছু বলার থেকে না বলাটা আরও শক্তিশালী’, কবিতার মাধ্যমে ফের বিরোধীদের খোঁচা মমতার!]

আর রবিবার কলকাতা হাই কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ জানিয়ে দিল, বিকাশ ভবনের পাশে থাকা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের মূর্তির সামনেই অবস্থান করা যাবে। তবে সেখানে অবস্থানকারী পার্শ্বশিক্ষকদের সংখ্যা যেন কোনওভাবেই ৩০০ না ছড়ায়। যদি প্রতিবাদীদের সংখ্যা আরও বেশি হয় তাহলে তাঁরা যেন বিক্ষোভ স্থলের ৫০০ মিটার দূরে থাকে। আর এই কর্মসূচির প্রভাব যেন কোনওভাবেই মূল রাস্তায় না আসে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.