Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

অকারণ টেস্টের খেসারত, রোগীর বিয়ের জন্য ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে হাসপাতালকে

ব্যাতিক্রমী এই রায় শোনালেন রাজ্যের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশনের চেয়ারম্যান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২২, ২০:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২২, ২০:৩৩

options
link
অকারণ টেস্টের খেসারত, রোগীর বিয়ের জন্য ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে হাসপাতালকে zoom
ছবি: প্রতীকী

অভিরূপ দাস: চিকিৎসা বাবদ অতিরিক্ত বিল করায় জরিমানা গা সওয়া। নিয়ম অনুযায়ী সে জরিমানার টাকা জমা দিতে হয় পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশনে। এই প্রথম সে নিয়ম বদলানো হল দরিদ্র রোগীর পরিবারের অনুরোধে। রোগীর মেয়ের বিয়ে সামনে। জরিমানা বাবদ ৫০ হাজার টাকা তাই দিতে হবে রোগীর পরিবারের হাতে। ব্যাতিক্রমী এই রায় শোনালেন রাজ্যের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশনের চেয়ারম্যান অসীমকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।

কোভিড (COVID-19) পজিটিভ হয়েছিলেন ডালিয়া গোস্বামী। ভরতি হয়েছিলেন আনন্দপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে। ২০২১ সালের ১৯ মে থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত ছিলেন সেখানে। হাসপাতালে চিকিৎসা বাবদ সব মিলিয়ে তার বিল হয়েছিল ২৩ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা। শুধু মেডিসিন বাবদ বিলই ১০ লক্ষ! প্যাথোলজিকাল টেস্ট বাবদ খরচ হয়েছে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা! অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ডালিয়া গোস্বামী। কোভিড চিকিৎসার এহেন বিল দেখে চোখ কপালে ওঠে কমিশনের। স্বাস্থ্য কমিশনের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, ওই বিল পর্যালোচনা করেছে কমিশন। তাতে মনে হয়েছে ৩ লক্ষ ৩০ হাজার হাজার টাকা অতিরিক্ত বিল করেছে হাসপাতাল। অবিলম্বে সেই টাকা তাদের রোগীর পরিবারকে ফেরত দিতে বলা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: জাপানি ওয়েব সিরিজ দেখে বহুতলের ছাদ থেকে মরণঝাঁপ কলকাতার ছাত্রের]

গন্ডগোলের এখানেই শেষ নয়। রোগীর ফুসফুসের অবস্থা যাচাই করার অত্যাধুনিক এক টেস্ট রয়েছে। যার নাম রেসপিরেটরি প্যাথোজেন প্যানেল টেস্ট বা বায়োফায়ার টেস্ট। এই টেস্টের খরচ প্রায় চল্লিশ হাজার টাকা। নিয়ম অনুযায়ী এই টেস্ট করার আগে রোগীর পরিবারের লিখিত অনুমতি নিতে হয়। যা নেওয়া হয়নি ডালিয়াদেবীর ক্ষেত্রে। রোগীর শরীরের ব্লাড গ্যাস টেস্ট করা হয়েছিল। একবার নয় টানা চারবার! স্বাস্থ্য কমিশনের সদস্য চিকিৎসকরা এহেন মেডিক্যাল হিস্ট্রি দেখে জানিয়েছেন, স্বল্প সময়ের ব্যবধানে একজন রোগীর চারবার ব্লাড গ্যাস টেস্ট করানোর কোনও যৌক্তিকতা নেই। ডালিয়া দেবী যে চিকিৎসকের অধীনে ভরতি ছিলেন তিনিও এ ধরনের টেস্টের বিষয়ে অন্ধকারে। জানিয়েছেন, রোগী ICU-তে থাকাকালীন এইসব টেস্ট করা হয়েছে। তখন আমি দায়িত্বে ছিলাম না।

স্বাস্থ্য কমিশনের বক্তব্য, এই প্রথম নয়। এর আগেও অতিরিক্ত বিলের জন্য চারবার সতর্ক করা হয়েছিল ওই বেসরকারি হাসপাতালকে। তারপরেও এ ধরনের বিল করায় অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হল। ডালিয়া দেবী স্বাস্থ্য কমিশনে জানিয়েছিলেন, মেয়ের বিয়ের জন্য টাকা জমিয়েছিলাম। চিকিৎসা করাতে গিয়ে সবশেষ। মানবিক দিক দিয়ে এই পরিস্থিতি বিচার করেই সমস্ত টাকাটাই রোগীর পরিবারের হাতে দিতে বলেছে স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কমিশন।

[আরও পড়ুন: জীবনের প্রথম আয় মোটে ২৫ টাকা, কত টাকার সম্পত্তি রেখে গেলেন লতা মঙ্গেশকর?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.