Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিভিক ভলানটিয়ার খুনের ঘটনায় নয়া মোড়, অবশেষে গ্রেপ্তার স্বামী

স্ত্রীকে খুনের জন্য সুপারি কিলারকে বরাত দিয়েছিল সুপ্রতিম।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০১৮, ১০:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০১৮, ১০:৫৩

options
link
সিভিক ভলানটিয়ার খুনের ঘটনায় নয়া মোড়, অবশেষে গ্রেপ্তার স্বামী zoom
Advertisement

কলহার মুখোপাধ্যায়, কলকাতা:  কৈখালিতে সিভিক পুলিশকর্মী খুনের ঘটনায় নয়া মোড়। স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে খুনের ছক কষার অভিযোগে স্বামী সুপ্রতিম দাসকে গ্রেপ্তার করল এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, সম্পত্তির লোভেই সুপারি কিলার দিয়ে স্ত্রীকে খুন করিয়েছে সুপ্রতিম। দুই সুপারি কিলারকেই স্ত্রীকে খুনের বরাতও দিয়েছিল সে নিজেই। সেই মতো ঘটনার দিন তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার জন্য স্ত্রীকে ফোন করেছিল সুপ্রতিম দাস। স্বামীর ফোন পেয়ে ইকোপার্কে কর্মরতা সিভিক ভলানটিয়ার শম্পা দাস প্রায় ঘণ্টাখানেক আগেই বাড়ি চলে আসেন। যেহেতু পূর্ব পরিকল্পিত ব্যাপার, তাই শিশুপুত্রকে মা মীরাদেবীর সঙ্গে তরমুজ কিনতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বাগুইআটিতে। সঙ্গে যান বাড়ির পরিচারিকা। একপ্রকার ফাঁকা বাড়িতেই ঢোকে সুপারি কিলাররা। নিশ্চিন্তে খুনের কার্য সম্পন্ন করে ফিরেও যায়। রাত ন’টা নাগাদ তরমুজ কিনে পরিচারিকা ও নাতিকে নিয়ে বাড়িতে ফেরেন শাশুড়ি মীরা দাস। বাড়ির সদর দরজা তখন ভেজানো ছিল। বাড়িতে ঢুকে পরিচারিকা লক্ষ্য করেন সিঁড়ি থেকে গড়িয়ে নামছে রক্তের ধারা। পায়েপায়ে সিঁড়িতে উঠে দেখতে পান ল্যান্ডিংয়ে আধশোয়া হয়ে আছেন শম্পাদেবী। মুখে সোফার কুশন চাপা দেওয়া রয়েছে। এদিকে ন’টায় বাড়ির বউ খুনের ঘটনা টের পান শাশুড়ি, অথচ প্রতিবেশীদের ডাকা হয় দশটার সময়। ওই আধঘণ্টা তাঁরা কী করছিলেন, তানিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এমনকী, পরিচারিকার বক্তব্যে অনেক অসঙ্গতি থাকায় তাঁকেও আটক করেছে পুলিশ।

[বিষ খাইয়ে খুন দাদাকে, তিন বছর পর অভিযোগ জানালেন সাঁতারু মাসুদুরের বোন]

সন্দেহের তালিকায় মীরাদেবীও। রমজান মাসে মুসলিম অধ্যুষিত কৈখালিতে ফলের অভাব নেই। এছাড়া স্থায়ী ফলের বাজারও রয়েছে সেখানে। সেসব ফেলে একটা তরমুজ কিনতে বাগুইআটিতে কেন গেলেন মৃতার শাশুড়ি?  স্বামী সুপ্রতিম দাস বলছেন, কয়েকজন লোক বাড়িতে ঢুকে লুটপাট করে তাঁকে দড়ি দিয়ে বাঁধে। সেই সময় স্ত্রী শম্পাদেবী বাধা দিতে এলে তাঁকে খুন করা হয়। কিন্তু তল্লাশিতে লুটের কোনও প্রমাণ মেলেনি। আলমারি খোলা থাকলেও কোনও গয়না খোয়া যায়নি। একইভাবে ঘরের এলোমেলো ভাবটাও যেন সাজানো। তবে তিনদিন ধরে খুনের কারণ খুঁজে পাচ্ছিল না পুলিশ। রবিবারই মৃতার দাদা সুপ্রতিমের বিরুদ্ধে এয়ারপোর্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ করে বলা হয়, সম্পত্তির লোভেই শম্পাদেবীকে খুন করেছে সুপ্রতিম দাস। নিউটাউনে ওই পুলিশকর্মীর একটি জমি রয়েছে। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেই জমি বিক্রি করে দিয়ে সমস্ত টাকা স্বামী ও শাশুড়ির হাতে তুলে দেওয়ার চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এনিয়ে মাঝেমধ্যেই অত্যাচার চলত বলে অভিযোগ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিমানবন্দরের কাছে দোকানে মিলল যুবকের গলাকাটা দেহ, চাঞ্চল্য]

শারীরিক অসুস্থতার কারণে সুপ্রতিম দাস বাড়িতে থাকায় সংসারের একমাত্র রোজগেরে ছিলেন শম্পাদেবী। তিনি বেশিটা সময় কাটাতেন বাড়ির বাইরে সেই সময়ই মা ও ছেলে মিলে খুনের ছক কষে বলে মনে করছে পুলিশ। তারপর পরিকল্পনা মতো নাতিকে নিয়ে বাইরে বাজারে যাওয়া। ফোন করে শম্পাদেবীকে আগে বাড়িতে ডেকে নেওয়া ও সুপারি কিলারের আগমন। নির্বিঘ্নে খুনপর্ব মিটিয়ে ফিরে যাওয়া। গোটা ঘটনায় মুখে কুলুপ বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.