স্টাফ রিপোর্টার: পাকাপাকিভাবে বর্ষা ঢুকতে এখনও দেরি থাকলেও রবিবারই বৃষ্টির স্বাদ পেতে পারে দক্ষিণবঙ্গ। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। তবে এটা বর্ষার বৃষ্টি নয়। আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, আগামী ২ জুন থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে শুরু হতে পারে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি। পাকাপাকি বর্ষা আসতে আরও দিন পনেরো লাগতে পারে। সে যাই হোক. তীব্র দাবদাহের ছোবল থেকে বাঁচতে এখন সামান্য বৃষ্টিই মরুভূমিতে মরূদ্যানের মতো।
[আরও পড়ুন: জুনের ১০ তারিখ খুলছে রাজ্যের স্কুলগুলি, ফেসবুক পোস্টে ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর]
উত্তরবঙ্গে যখন টানা ১০দিন ধরে বৃষ্টি চলছে, তখনই ভ্যাপসা গরমে পুড়ছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ। সকাল থেকেই সূর্যের তেজ এতটাই বাড়ছে যে, বাইরে বেরনোই দায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। শুক্রবার এবং শনিবারও পরিস্থিতি একইরকম থাকবে। তবে রবিবার থেকে তাপমাত্রা কমতে পারে। ঝড়-বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। তবে হবেই এমনটা দাবি করছেন না আবহাওয়াবিদরা। তাঁদের বক্তব্য, আগামী ২ তারিখ থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে। শুধু দক্ষিণবঙ্গই নয়, কলকাতা ও শহরতলিতেও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রবিবার থেকে। এটাকে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি বলা হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গ দাবদাহে পুড়লেও উত্তরবঙ্গে টানা ১০দিন ধরে বৃষ্টি চলছে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর দ্বিতীয় শাখাটি আন্দামান ঢেকে ফেলার ফলে উত্তরবঙ্গের দরজায় কড়া নাড়ছে বর্ষা। যদিও এখনই পাকাপাকিভাবে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢোকার সম্ভাবনা কম। কারণ আগামী ৬ তারিখ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর মূল শাখাটি কেরলে ঢোকার কথা। সাত থেকে ১০ দিনের মাথায় তা ঢুকবে দক্ষিণবঙ্গে। মাঝে দেরিও হতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, “কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে ২ তারিখ থেকে বৃষ্টির একটা সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। এটা প্রাক বর্ষার বৃষ্টি। পাকাপাকি বর্ষা আসতে দেরি আছে।” গরম থেকে রেহাই পেতে আপাতত প্রাক-বর্ষার বৃষ্টির দিকেই তাকিয়ে শহরবাসী।
[ আরও পড়ুন: দূষণ ঠেকাতে ব্রহ্মাস্ত্র নিম-দেবদারু, শহরে বাড়তি বৃক্ষরোপনের ভাবনা
সর্বশেষ খবর
-
সাগরেই লুকিয়ে ইউরেনিয়াম খনি! পরমাণু শক্তি বৃদ্ধিতে চিনের ‘কেমিক্যাল ফাঁদ’, টেক্কা আমেরিকাকে
-
ডেলিভারির আড়ালে বাইক চুরি! সিসিটিভি দেখে বেলঘরিয়ার ‘বান্টি-বাবলি’কে ধরল পুলিশ
-
পুলিশ হেফাজতেই সোমনাথের থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার! ফের হাজতে নির্মল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা
-
‘ট্রিপল ইঞ্জিনেও বিপর্যয়’, দিল্লিতে বাড়ি ভাঙার ঘটনায় ‘দায়বদ্ধতা’ নিয়ে প্রশ্ন রাহুলের
-
মুসলিম হয়েও দোকানের নামে হিন্দুত্বের ছোঁয়া! মালিকের ধর্ম পরিচয় লেখার ‘নিদান’ সনাতন জাগরণ মঞ্চর