হোটেলের নামে রয়েছে হিন্দুত্বের ছোঁয়া। কিন্তু মালিক মুসলিম। এমনকী হোটেলের ব্যানারে রয়েছে হিন্দু দেবদেবীদের ছবি। এর বিরুদ্ধে বীরভূমের ইলামবাজারে অভিযানে নেমে দোকানের মালিকদের সতর্ক করে দিল সনাতন জাগরণ মঞ্চ। তাঁরা জানিয়ে দেন, দোকানের ব্যানারে লিখতে হবে মালিকের ধর্মপরিচয়। সাত দিনের সময়সীমাও বেঁধে দেন সনাতন জাগরণ মঞ্চের আধিকারিকরা।
বোলপুর শহরে প্রবেশের আগে ইলামবাজারের রাস্তা সংলগ্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি ছোট বড় খাবারের হোটেল ও রেস্তরাঁ রয়েছে। কয়েকটি দোকানে গিয়ে দেখা যায় মালিক মুসলিম হলেও দোকানে রয়েছে হিন্দুত্বের ছোঁয়া। সেই কারণে বিভ্রান্ত হচ্ছেন গ্রাহকরা। খাওয়া দাওয়ার পর অনলাইনে টাকা দেওয়ার সময় তাঁরা দেখেন, মালিক হলেন মুসলিম। বিভ্রান্তি দূর করতে দোকানের ব্যানারেই লিখতে হবে মালিকের পরিচয়। এদিন ইলামবাজারের ‘রাহাত বিহারী হোটেলে’ অভিযান চালায় সনাতন জাগরণ মঞ্চ। এই নামে আপত্তি রয়েছে তাঁদের। নাম দেখে বোঝার উপায় নেই দোকানের মালিক মুসলিম। তাই অবিলম্বে নাম পরিবর্তন করে ব্যানারে মালিকের নাম লেখার আবেদন জানান সনাতন জাগরণ মঞ্চের আধিকারিকরা। এবিষয়ে দোকানের মালিক বলেন, “বিহার থেকে এসেছি বলে এই নাম দিয়েছি। আমার দোকানের কর্মচারীরা সবাই হিন্দু। শুধু আমি মুসলিম। তাই নাম নিয়ে আপত্তি করছে। গোটা বোর্ডটাই নামিয়ে দেব। শুধুমাত্র ধাবা লেখা থাকবে।”
আরও পড়ুন:
এই বিষয়ে বোলপুর সাংগঠনিক জেলার যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক অরুণ দাস বলেন, “গোটা জেলায় অভিযান চলছে। গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। হিন্দু দোকান হলে হিন্দু নাম দিন আর মুসলিম দোকান হলে মুসলিম নাম দিন। কারণ সাধারণ জনগণ চিকেন, মাটনের নামে কী খাচ্ছেন তা তাঁরা নিজেরাও বুঝতে পারছেন না।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
দেবীর ভোগে ইলিশ-চিংড়ি, অসুরের ভাগে সুরা, বাংলার এই দুর্গাপুজোয় আজও অটুট রীতি
-
নজরকাড়া সেট-দু’মাসব্যাপী লঙ্কা দহন দৃশ্যের শুটিং, ভারতীয় সিনেমায় ইতিহাস গড়ল ‘রামায়ণ’
-
গণসঙ্গীতের পাশাপাশি র্যাপ, জেন জি’কে কাছে টানতে সিপিএমের নতুন কর্মসূচি বারাসতে
-
এয়ার ইন্ডিয়ার ঘটনায় শিক্ষা, দেশের সব পাইলটের মাদক পরীক্ষা জুলাইয়ের মধ্যে! নির্দেশিকা ডিজিসিএ-র
-
ব্রিকসের মেনুতে মিলেমিশে ভারতের আস্বাদ, কাশ্মীরি আখরোট থেকে তামিলনাড়ুর মুরুক্কু, বাংলার কোন পদ?