Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Kolkata Police

শিয়ালদহ স্টেশনের কাছে প্রায় দু’কোটি টাকার মাদক পাচারের চেষ্টা! গ্রেপ্তার দুই

ধৃত আমজাদ শেখ ও লোকমান মল্লিকের কাছে ৫২১ গ্রাম হেরোইন পাওয়া গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২২, ২১:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২২, ২১:২১

options
link
শিয়ালদহ স্টেশনের কাছে প্রায় দু’কোটি টাকার মাদক পাচারের চেষ্টা! গ্রেপ্তার দুই zoom

অর্ণব আইচ: শিয়ালদহ স্টেশনের কাছে মাদক পাচার। কোটি টাকার উপর মাদক-সহ গ্রেপ্তার হল দুই পাচারকারীকে। তাদের কাছ থেকে ৫২১ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেন লালবাজারের (Lalbazar) গোয়েন্দারা।

পুলিশ (Kolkata Police) জানিয়েছে, ধৃত দু’জনের নাম আমজাদ শেখ ও লোকমান মল্লিক। আমজাদ নদিয়ার পলাশিপাড়া থানা এলাকার ছোট নালদহের কুলগাছি গ্রামের বাসিন্দা। লোকমানের বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানা এলাকার মল্লিককাঠিতে। সোমবার লালবাজারের গোয়েন্দারা খবর পান, কলকাতায় লেনদেন হবে মাদকের। সেইমতো শিয়ালদহ অঞ্চলে হানা দেন তাঁরা। পুলিশের মতে, নদিয়া থেকে ট্রেনে করেই ওই মাদক নিয়ে আসে আমজাদ। শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে অপেক্ষা করছিল লোকমান। লোকমানের হাতে ব্যাগটি পাচার করার আগেই তাকে গোয়েন্দারা ধরে ফেলেন। ব্যাগের ভিতর থেকে উদ্ধার হয় পাঁচটি প্যাকেট ভর্তি হেরোইন। এর দাম আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় দু’কোটি টাকা বলে পুলিশের দাবি। ধৃতদের বিরুদ্ধে পূর্ব কলকাতার এন্টালি থানায় মাদক পাচারের মামলা দায়ের হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বাংলায় গ্রেপ্তারিতে কোনও রং দেখা হয় না’, হাঁসখালি কাণ্ডে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী]

পুলিশের ধারণা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং, জীবনতলা, ঘুটিয়ারি শরিফে রয়েছে মাদক পাচারের ঘাঁটি। বাইরে থেকে হেরোইন বা ব্রাউন সুগারের মতো মাদক নিয়ে আসা হয় জায়গাগুলিতে। এখান থেকেই পুরিয়া করে মাদক পাচার করা হচ্ছে কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায়। এমনকী, অটো করে বিপুল মাদক-সহ প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোড সংলগ্ন এলাকায় এক মাদক পাচার চক্রের মহিলা পান্ডাকে কিছুদিন আগেই গ্রেপ্তার করা হয়। তার হাতেও এই মাদক পাচার করা হত বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।

[আরও পড়ুন: স্কুল খুলেও আইনি গেরোয় জি ডি বিড়লা কর্তৃপক্ষ, হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের অভিভাবকদের]

মূলত ওই মহিলাকে গ্রেপ্তারের পর টানা জেরা করেই গোয়েন্দা পুলিশ জানতে পারে যে, কোন কোন জায়গা থেকে মাদক পাচার হচ্ছে। সেইমতো মাদক পাচারকারীদের উপর গোয়েন্দারা নজর রাখছিলেন। এই মাদক পাচার চক্রের পিছনে যারা রয়েছে, তাদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.