Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Kolkata police

ভুয়ো ওয়েবসাইটে ৬৪ লক্ষের জালিয়াতি, বিহারের মাওবাদী এলাকায় হানা লালবাজারের গোয়েন্দাদের, ধৃত ১

২০২০ সাল থেকে শুরু হয় এই জালিয়াতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৩, ১৮:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৩, ১৮:০৮

options
link
ভুয়ো ওয়েবসাইটে ৬৪ লক্ষের জালিয়াতি, বিহারের মাওবাদী এলাকায় হানা লালবাজারের গোয়েন্দাদের, ধৃত ১ zoom

অর্ণব আইচ: করোনা পরিস্থিতিতে একটি নামী সিমেন্ট সংস্থার ভুয়ো ওয়েবসাইট বানিয়ে ৬৪ লক্ষ টাকার সাইবার জালিয়াতি। বিহারের গয়া জেলার জঙ্গল লাগোয়া মাওবাদী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রামে হানা দিয়ে সাইবার অপরাধীকে গ্রেপ্তার করলেন লালবাজারের গোয়েন্দারা।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম চন্দন কুমার। ২০২০ সাল থেকে শুরু হয় এই জালিয়াতি। করোনা পরিস্থিতিতে নির্মাণের কাজের জন‌্য সিমেন্ট পাওয়া শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেই সুযোগই নেয় কলকাতা থেকে বিহারে ছড়িয়ে পড়া এই চক্রটি। একটি নামী সিমেন্ট সংস্থার ভুয়ো ওয়েবসাইট বানানো হয়। ওয়েবসাইটটি আসল মনে করে যাঁরা যোগাযোগ করতেন, তাঁদের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলত সাইবার জালিয়াতরা। আগাম টাকা দিলে সিমেন্টের বস্তা পাঠানো হবে বলে তারা জানায়। সেইমতো কয়েকটি ব‌্যাঙ্ক অ‌্যাকাউন্টের নম্বর দেওয়া হয়। সেই অ‌্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে শুরু করেন ব‌্যবসায়ীরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কলকাতায় যাওয়ার পথে অনুব্রতকে নিরাপত্তা দেবে পুলিশই, নির্দেশ আসানসোল সিবিআই আদালতের]

২০২১ সালে লালবাজারের সাইবার থানায় ছাড়াও দক্ষিণ কলকাতার নিউ আলিপুর, বেহালা ও বিধাননগর কমিশনারেটের একটি থানায় এই ব‌্যাপারে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। মোট চারটি অভিযোগ পুলিশের কাছে আসে। তাতেই দেখা যায় যে, ৬৪ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছে। লালবাজারের গোয়েন্দারা তদন্ত করতে শুরু করেন। যে অ‌্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে, তার মাধ‌্যমেই শুরু হয় তদন্ত। কিন্তু ওই ব‌্যক্তির কেওয়াইসি জাল। শেষপর্যন্ত তদন্ত করে লালবাজারের সাইবার থানার আধিকারিকরা জানতে পারেন যে, বিহারের গয়া জেলার ওয়াজিরগঞ্জ থানা এলাকার কুরকিহার এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে চন্দন কুমার নামে ওই ব‌্যক্তি। কিন্তু মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ওই ব‌্যক্তিকে ধরা বিশেষ সহজ ছিল না।

গভীর রাতে ওই জঙ্গল লাগোয়া গ্রামে হানা দেন গোয়েন্দারা। অভিযুক্তর বাড়ি ঘিরে ধরে তল্লাশি চালিয়ে তাকে ধরে ফেলা হয়। সোমবার ধৃতকে ব‌্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে তাকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। পুলিশ জেনেছে, ওই চক্রের মাথায় রয়েছে কলকাতার এক বাসিন্দা। এবার ওই সাইবার অপরাধীর সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: সংখ্যালঘুদের মন জয়ের চেষ্টা? বগটুই স্মৃতি উসকে গ্রামে শহিদ বেদি বানাচ্ছে BJP]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.