Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Kolkata Police

বাক্স খুলে দামি ফোন বেচে দিত ডেলিভারি বয়! ফিল্মি কায়দায় বড়সড় কেলেঙ্কারি পর্দাফাঁস করল পুলিশ

গ্রাহকদের কাছ থেকে ভুরি ভুরি অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসে ওই ই-কমার্স সংস্থাটি। এই বিষয়ে কুরিয়র সংস্থাকে জিজ্ঞেস করতেই পর্দাফাঁস হয় গোটা কেলেঙ্কারির! 

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৬, ১৬:০৫

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৬, ১৬:০৫

options
link
বাক্স খুলে দামি ফোন বেচে দিত ডেলিভারি বয়! ফিল্মি কায়দায় বড়সড় কেলেঙ্কারি পর্দাফাঁস করল পুলিশ zoom
ছবি: এআই দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার বদলে একাধিক দামি মোবাইল হাতিয়ে পলাতক কুরিয়র সংস্থার কর্মী! ঘটনার তদন্তে নেমে তিন ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল নিউ আলিপুর থানার পুলিশ। ধৃত তিনজনই মোবাইল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে জানা যাচ্ছে। ধৃতদের কাছ থেকে একাধিক মোবাইল উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, পলাতক ওই কর্মী গ্রাহকদের কেনা ফোন অপেক্ষাকৃত কম দামে একাধিক দোকানে বিক্রি করে দিত। আর তা ফের বিক্রি হতো চড়া দামে। ইতিমধ্যে কুরিয়র সংস্থার ওই কর্মীর বিরুদ্ধে খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে ক্রেতাদের বাড়িতে জিনিস পৌঁছে দিতে শহরের একটি কুরিয়র সংস্থাকে বরাত দেয় একটি নামী ই কমার্স সংস্থা। সেই সংস্থার হাতে ২৮টি দামি স্মার্টফোন ডেলিভারির দায়িত্ব ছিল। পুলিশের দাবি, সেই দায়িত্ব এক ডেলিভারি বয়কে দেয় ওই সংস্থা। কিন্তু কিছুদিন পর থেকেই ক্রেতাদের কাছ থেকে অভিযোগ আসতে শুরু করে যে, তাঁরা কোনও মোবাইল পাননি। গ্রাহকদের কাছ থেকে ভুরি ভুরি অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসে ওই ই-কমার্স সংস্থাটি। এই বিষয়ে কুরিয়র সংস্থাকে জিজ্ঞেস করতেই পর্দাফাঁস হয় গোটা কেলেঙ্কারির! 

Advertisement

কুরিয়র সংস্থার কর্তারা দেখেন, ওই ডেলিভারি বয় উধাও। ফলে ওই ডেলিভারি বয় যে প‌্যাকেট ছিঁড়ে ফেলে মোবাইলগুলি হাতিয়েছে, তা বোঝা যায়। এরপরেই নিউ আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। কিন্তু তদন্তে নেমেই তাজ্জব হয়ে যান তদন্তকারী আধিকারিকরা। দেখা যায়, খোয়া যাওয়া মোবাইলগুলি চালু রয়েছে। এরপরেই তা ট্র্যাক করে ইউজারদের ফোনগুলি নিয়ে আসতে পারে পুলিশ। ব‌্যবহারকারীদের কাছ থেকে পুলিশ আধিকারিকরা জানতে পারেন, তাঁরা দোকান থেকেই ওই মোবাইল কিনেছেন। এমনকী বৈধ বিল আছে বলেও ইউজাররা পুলিশকে জানান। নতুন ক্রেতাদের কাছ থেকেই ওই চোরাই মোবাইলগুলি পুলিশ উদ্ধার করে। একই সঙ্গে যে দোকানগুলি থেকে তাঁরা মোবাইল কিনেছেন, সেখানেও পুলিশ হানা দেয়।

পুলিশের দাবি, জেনেশুনেই দোকানদাররা ওই চোরাই মোবাইল কিনেছেন। অপেক্ষাকৃত কম দামে কিনে তাঁরা ক্রেতাদের বিক্রি করেন। তারই ভিত্তিতে পুলিশ তিন দোকানদার বিশাল, সুদীপ্ত ও সর্বেশকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে কুড়িটি মোবাইল উদ্ধার হয়েছে। বাকিগুলি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ঘটনার পর থেকে ওই কুরিয়র কর্মী তথা ডেলিভারি বয় পলাতক। তার সন্ধানে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.