পাক নীতি নিয়ে এবার সুরবদল আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের। তিনি বলছেন, পাকিস্তানি মানেই ভারতের জাত শত্রু নয়। আর দ্বন্দ্ব শেষ করা মানে শুধু অন্যকে পরাস্ত করাও নয়। বরং সমন্বয়ের ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান খোঁজা।
সম্প্রতি মুম্বইয়ের এক অনুষ্ঠানে আরএসএস প্রধান বলেন, পাকিস্তানি মানেই তাঁরা ‘সার্বিক’ভাবে ভারতীয়দের শত্রু, তেমনটা নয়। আসলে স্থায়ী শত্রুতা কোনও সমস্যার সমাধান হতে পারে না। সরসংঘচালক বলছেন, “দেশে যখন কোনও সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কোনও বিবাদ বা সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে আমাদের উচিত দেশের সরকার ও সেনাবাহিনীর পাশে দাঁড়ানো। তবে চিরস্থায়ী দ্বন্দ্ব বা বিচ্ছেদ কোনওটাই কাম্য নয়।”
আরও পড়ুন:
মোহন ভাগবতের স্পষ্ট বার্তা, সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে বৃহত্তর মানবজাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তাঁর মতে কখনও কোনও দেশের সঙ্গে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হলে সাময়িকভাবে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হতেই পারে। তবে সেই ঘৃণা চিরস্থায়ী শত্রুতা বা বিচ্ছেদ টিকিয়ে রাখা ঠিক নয়। পাক প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, “পাকিস্তান তো ভারতেরই অংশ ছিল। তাই আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।”
সরসংঘপ্রধানের এই অবস্থান বর্তমান সরকারের অবস্থানের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। মোদি সরকারের স্পষ্ট অবস্থান, সন্ত্রাস এবং আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। বস্তুত মোদি জমানায় বারবার ভারতকে রক্তাক্ত করার ছক কষেছে পাকিস্তান। একের পর এক সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছে ভারতে। পুলওয়ামা, পাঠানকোট, পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলার জেরে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক কোনওরকম আলোচনার পথেই যেতে নারাজ মোদি সরকার। সেখানে আরএসএস প্রধানের সুর খানিকটা অন্যরকম। আগামী দিনে কি তাহলে মোদি সরকারও পাকিস্তান নীতিতে মত বদল করবে?
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
উপকূলবর্তী জেলায় ভারী বৃষ্টি, ভাসবে কলকাতাও! কবে পিছু ছাড়বে বর্ষণ?
-
আসছেন না যাত্রীরা! বেনজিরভাবে সময়ের অনেক আগেই কার্যত শেষ অমরনাথ যাত্রা
-
বিশ্ব জুনিয়র অ্যাথলেটিক্সে রুপো বসন্তের, হাই জাম্পে ভারতের নতুন ইতিহাস
-
২ কয়লা মাফিয়াকে নিয়ে তল্লাশি এসটিএফের, বিরাট অস্ত্রভাণ্ডারের খোঁজ ইসিএলের পরিত্যক্ত আবাসনে!
-
অনুপ্রবেশ-চোরাচালানে বাধা! ভারতীয় চাষিকে তুলে নিয়ে গেল বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা, হুলস্থূল জলপাইগুড়িতে