অর্ণব আইচ: করোনা (Coronavirus) সংক্রমণ রুখতে গোটা দেশজুড়ে জারি করা হয়েছিল লকডাউন (Lockdown)। অদৃশ্য ভাইরাসকে মোকাবিলার পন্থা হিসাবে ঘরের দরজা বন্ধ করে বসেছিলেন আমজনতা। কিন্তু চিকিৎসক, নার্সদের মতো পুলিশকর্মীরাও প্রতিদিন প্রথম সারির যোদ্ধা হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সংক্রমিতও হচ্ছেন অনেকেই। করোনার ছোবল থেকে তাঁদের বাঁচাতে তাই এবার ‘আইসোলেশন লকআপ’ করার ভাবনা কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police)।
করোনা আক্রান্ত মোট ২৩০০ পুলিশকর্মী। তাঁদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। অনেকেই আবার সুস্থ হয়ে কাজেও যোগ দিয়েছেন। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা পুলিশে সংক্রমিতের সংখ্যা ১১০০ ছাড়িয়েছে। রাজ্য পুলিশেও সংখ্যাটা হাজারের কাছাকাছি। করোনা পরিস্থিতিতে পুলিশদেরও কিছু বিধি মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তকে লকআপে ঢোকানোর আগে তার স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা প্রয়োজন। ধৃতদের মধ্যে কারণ কোভিড উপসর্গ ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা করাতে হবে। এছাড়াও লকআপে থাকা সমস্ত বন্দিদের ক্ষেত্রেই বাধ্যতামূলক মাস্ক। মেনে চলতে হবে দূরত্ববিধি।
[আরও পড়ুন: গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভরতি সিপিএম নেতা শ্যামল চক্রবর্তী]
সম্প্রতি একটি মামলায় ধৃত ছ’জনের মধ্যে এক জনের করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। তাঁর নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরীক্ষার ফল আসে পজ়িটিভ। তাকে ভরতি করা হয় হাসপাতালে। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েই তৈরি হচ্ছে ‘আইসোলেশন লকআপ’ তৈরির ভাবনা। তবে সূত্রের খবর, লকডাউনের সময়ে কিছুটা হলেও কমেছে অপরাধ। আর তার ফলে ধরপাকড়ও কম। ফলে লকআপগুলি ফাঁকা। তাই দূরত্ব বিধি মানতে তেমন সমস্যা হচ্ছে না। ‘আইসোলেশন লকআপ’ খুললে সংক্রমণের আশঙ্কা আরও কমবে বলেই আশা করা হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ হওয়া সত্ত্বেও সৎকারে বাধা, ১৮ ঘণ্টা বেনিয়াপুকুরের ঘরে পড়ে বৃদ্ধার দেহ]
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা
-
৪ জুন ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন