Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
গুলি

গিরিশ পার্ক গুলি কাণ্ডে প্রমাণাভাবে খালাস গোপাল

২০১৫ সালে এসআই জগন্নাথ মণ্ডলকে গুলির ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল গোপালের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯, ১৪:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯, ১৪:৫৮

options
link
গিরিশ পার্ক গুলি কাণ্ডে প্রমাণাভাবে খালাস গোপাল zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: এসআই জগন্নাথ মণ্ডলকে গুলি করার ঘটনার মূলচক্রী গোপাল তিওয়ারি-সহ ১৩ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করল আদালত। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে দোষ প্রমাণিত হয়নি। সেই কারণেই এই নির্দেশ।

[আরও পড়ুন: বর্ধমানের রেলসেতু নিয়ে ‘নাটক’ তুঙ্গে, রেলমন্ত্রীর বদলে প্রতিমন্ত্রীকে দিয়ে উদ্বোধন আগামিকাল]

ঘটনার সূত্রপাত ২০১৫ সালের ১৮ এপ্রিল। ওইদিন কলকাতা পুরসভার নির্বাচন চলছিল। সেই সময় রাজেন্দ্র মল্লিক স্ট্রিটে কংগ্রেস-তৃণমূল সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন গিরিশ পার্ক থানার তৎকালীন সাব ইনস্পেক্টর জগন্নাথ মণ্ডল। সেই গুলি চালনার ঘটনায় নাম জড়িয়ে যায় গোপাল তিওয়ারির। ঘটনার দিনই মধ্য কলকাতা থেকে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে গোয়েন্দারা পাকড়াও করেন গোপাল-ঘনিষ্ঠ আরও চার জনকে। এর পর ধরা পড়েন গোপালও। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোট গ্রেপ্তার করা হয় ১৩ জনকে। বেপাত্তা ছিলেন আরও ৬ জন। এরপর ২০১৭ সাল থেকে শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া।

Advertisement

১২ সেপ্টেম্বর কলকাতা নগর দায়রা আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক সেকেন্ড কোর্টের বিচারক সোমনাথ মুখোপাধ্যায়ের এজলাসে ওই মামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষ হয়। বৃহস্পতিবার ছিল রায় ঘোষণা। এ দিন গোপাল-সহ ১৩ জন অভিযুক্তকেই বেকসুর খালাস করে দেন বিচারক। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা কোনও অভিযোগেরই প্রমাণ মেলেনি। এদিন রায় ঘোষণার পরই অভিযুক্ত গোপাল তিওয়ারি জানান, “আমি জানতাম আমি নির্দোষ। আমার বিশ্বাস ছিল আইনের প্রতি।” গোপাল তিওয়ারির মুক্তির খবর পেয়ে খুশি পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু এদিন রায় ঘোষণার পর হাসি ম্লান হয়েছে গুলিবিদ্ধ জগন্নাথ মণ্ডলের। এ প্রসঙ্গে সরকারি আইনজীবী তমাল মুখোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানান, ‘‘আমরা এই মামলায় যথেষ্ট খেটেছিলাম। বিচারক যদি মনে করেন, অভিযুক্ত দোষী নন, তা হলে তাঁর রায় আমাদের মেনে নেওয়া উচিত। এখনও রায়ের কপি হাতে পাইনি। সেটা খতিয়ে দেখার পর এ বিষয়ে যা বলার বলব।’’

[আরও পড়ুন: ছেলেধরা সন্দেহে জওয়ানকে হেনস্তা, উদ্ধার করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পুলিশ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.