Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
কলকাতা

আমফান আতঙ্কে শুনশান তিলোত্তমার রাস্তা, বিপর্যয় এড়াতে প্রস্তুত কলকাতা পুলিশ

বিপজ্জনক বাড়ি থেকে সরানো হচ্ছে বাসিন্দাদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২০, ১৩:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২০, ১৩:৫০

options
link
আমফান আতঙ্কে শুনশান তিলোত্তমার রাস্তা, বিপর্যয় এড়াতে প্রস্তুত কলকাতা পুলিশ zoom

অর্ণব আইচ: লকডাউন যা করতে পারেনি, আমফান তাই করে দেখাল। বুধবার সকাল থেকেই শুনশান কলকাতার রাস্তা। বন্ধ দোকানপাট। এমনকী, ওষুধের দোকানেরও ঝাঁপ নামানো হয়েছে। রাস্তায় জনমানবের দেখা নেই। বাইরে পা রাখলেই সটান বাড়ি পাঠাচ্ছে কলকাতা পুলিশ। মাইক ফুঁকে চলছে লাগাতার প্রচার। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কলকাতার বেশকিছু উড়ালপুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। 

দুপুর ১টার আবহাওয়া বুলেটিন বলছে সাইক্লোন আমফান কলকাতা থেকে ১৯৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। কিন্তু সকাল থেকেই কালো মেঘে ঢেকেছে আকাশ। বইছে ঝোড়ো হাওয়া। বেলা গড়াতেই বেড়েছে বৃষ্টিও। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, কলকাতা ঘেঁষে যাবে আমফান। গতি থাকবে ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার। যার জেরে তিলোত্তমা বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিন্তু সেই বিপর্যয় থেকে কলকাতাকে বাঁচাতে কোমর বেঁধে তৈরি কলকাতা পুলিশও। চলছে টহলদারি। মাইক ফুঁকে প্রচার। কলকাতার নটি ডিভিশনে তৈরি বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রুদ্রমূর্তি ধারণ করছে আমফান, তুমুল ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা শহর কলকাতার]

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন, বুধবার বেলা ১২টার পর যেন কেউ রাস্তায় না বের হয়। সেই নির্দেশ পালন করছে কলকাতা পুলিশ। কেউ বাড়ির বাইরে বের হলেই বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রচার চলছে উত্তর কলকাতার বড়বাজার, জোড়াবাগান, বাগবাজার থেকে দক্ষিণের গড়িয়া, ঢাকুরিয়া, কালীঘাট এলাকায়। পূর্বের ফুলবাগান, বেলেঘাটা থেকে পশ্চিমের বেহালা সর্বত্রই একই ছবি। বিপজ্জনক বাড়ি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। কলকাতা পুলিশের তরফে বড়বাজারের স্ট্যান্ড রো, আর্মেনিয়াম স্ট্রিট, জোড়াবাগান, পোস্তার বিপজ্জনক বাড়ি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের নিকটবর্তী স্কুল, কমিউনিটি হলে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এমনকী পুলিশ ট্যাক্সি ডেকে তাঁদের আত্মীয়দের বাড়িতেও পাঠিয়ে দেন। তবে শ্যামপুকুর, বটতলার বিপজ্জনক বাড়ি ছাড়তে গররাজি হয়েছেন অনেকেই। ঝড়ের গতি বাড়লে তাঁদের বাড়ির বিপজ্জনক অংশতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ফুটপাতবাসীদেরও নিকটবর্তী স্কুল ও কমিউনিটি হলে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে তৈরি বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। তাঁদের দুভাগে ভাগ করা হয়েছে। এক দল রয়েছে গঙ্গার পাশে। ঝড়ের প্রভাবে গঙ্গায় প্রবল জলোচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভবনা। এমন পরিস্থিতিতে যাতে কেউ গঙ্গায় না নামে তার দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হয়েছে। আরেকদল রাস্তায় গাছ পড়লে. বা ল্যাম্পপোস্ট পড়লে তা সরাতে তৈরি রাখা হয়েছে। তাঁদের কাছে রয়েছে বৈদ্যুতিক ও চেন করাত। পরিশেষে বলা যায়, কলকাতায় আমফানের মোকাবিলা করতে তৈরি পুলিশবাহিনী।

[আরও পড়ুন: ছদ্মবেশি করোনা-বাহকের সন্ধানে কলকাতায় হবে ‘র‍্যান্ডম টেস্ট’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.