Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
কলকাতা পুলিশ

কলকাতা পুলিশে ফের বিক্ষোভ, বিধাননগরের পুলিশ ব্যারাকে ভাঙচুর

এক জওয়ান করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর বাকিদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর দাবিতে সরব।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২০, ২২:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২০, ২২:২৫

options
link
কলকাতা পুলিশে ফের বিক্ষোভ, বিধাননগরের পুলিশ ব্যারাকে ভাঙচুর zoom
Advertisement

কলহার মুখোপাধ্যায়: ফের কলকাতা পুলিশে ফের বিক্ষোভ। ভাঙচুর চলল ব্যারাকে। অভিযোগ, কলকাতা পুলিশের চার নম্বর ব্যাটেলিয়ানে (আর্মড ফোর্স)কয়েকজন জওয়ান করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর সঙ্গীদের কোয়ারন্টাইনে পাঠানো হচ্ছে না। এর প্রতিবাদে এদিন কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হয়েছিল জওয়ানরা। সমস্যার সমাধান না হওয়ায় শুক্রবার সন্ধেয় ব্যারাকে ভাঙচুর চলে বলে সূত্রের খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে ইটের ঘায়ে জখম হন সংশ্লিষ্ট ডিসিও। গোটা ঘটনায় উত্তাল সল্টলেকের সেক্টর টু-এর পুলিশ ব্যারাক।

অসমর্থিত সূত্রের খবর, কলকাতা পুলিশের চতুর্থ ব্যাটেলিয়ানের একজন জওয়ান করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ওই আবাসনের কয়েকজনকে হোম কোয়ারেন্টাইন করা হয়। ফলে আবাসনেই ছিলেন তাঁরা। শুক্রবার তাঁদের মধ্যে একজন করোনা পজিটিভ হন। এরপরও কোয়ারেন্টাইনের স্থান বদল হয়নি।

Advertisement

[আরও পড়ুন : দমকলের গাড়ির ধাক্কায় দমকল কর্মীরই মৃত্যু, বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ]

এ নিয়ে শুক্রবার সকাল থেকে কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁরা। বিকেল অবধি কোনও সমঝোতা সূত্রে বের হয়নি। বরং দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এরপর সন্ধে থেকে ওই আবাসনে ভাঙচুর চলে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রথমে বিধাননগরের উত্তর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সংশ্লিষ্ট ডিসিও যান।সেইসময় তাঁকে লক্ষ্য করেও ইট ছোড়া হয় বলে খবর। পরে লালবাজার থেকে ফোর্স পাঠানো হয়। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, উত্তেজনা এখনও রয়েছে। সমঝোতা সূত্রে বেরিয়েছে বলে খবর নেই।

[আরও পড়ুন : দমকলের গাড়ির ধাক্কায় দমকল কর্মীরই মৃত্যু, বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ]

সূত্রের খবর, কর্তৃপক্ষের তরফে বিক্ষুধ্বদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আবাসিকরা তা মানতে নারাজ। তাঁদের অভিযোগ, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকলে পরিবারের বাকিদেরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেখে যাচ্ছে। তাই সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানোর দাবি জানিয়েছিলেন তাঁরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.