Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Library

ডিজিটাল যুগেও পড়ুয়াদের গ্রন্থাগারমুখী করার উদ্যোগ কলকাতার স্কুলে

শ্রী জৈন বিদ্যালয়ে গড়ে উঠল অত্যাধুনিক “মদন কুমার মেহতা মেমোরিয়াল লাইব্রেরি”।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৫, ১৮:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৫, ১৮:১৩

options
link
ডিজিটাল যুগেও পড়ুয়াদের গ্রন্থাগারমুখী করার উদ্যোগ কলকাতার স্কুলে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গ্রন্থাগার বা পাঠাগার শুধু বইয়ের সংগ্রহশালা নয়, বরং মনন, চিন্তন ও গবেষণার এক বিশাল ভাণ্ডার! তাই বর্তমান ডিজিটাল যুগেও পাঠাগারের গুরুত্ব ছাত্রছাত্রী ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে কলকাতার শ্রী জৈন বিদ্যালয়ে গড়ে উঠল অত্যাধুনিক “মদন কুমার মেহতা মেমোরিয়াল লাইব্রেরি”।

এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী এবং কলকাতা হাই কোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবী সুধীর কুমার মেহতার উদ্যোগে স্কুলের এই গ্রন্থাগারের আধুনিকীকরণ হয়েছে। যা উৎসর্গ করা হয়েছে সুধীর কুমার মেহতার বাবা প্রয়াত মদন কুমার মেহতার স্মৃতিতে। মদন কুমার মেহতা ছিলেন এই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম।

Advertisement

সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এবং পশ্চিমবঙ্গ মানবাধিকার কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অশোক কুমার গঙ্গোপাধ্যায় রবিবার এই গ্রন্থাগারের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত মদন কুমার মেহতার স্ত্রী শান্তা কুমারী মেহেতা, বিশিষ্ট চিকিৎসক ড. অমিত কুমার রায়, বিদ্যালয়ের দুই সভাপতি বিনোদ কঙ্কারিয়া ও সর্দার মল কঙ্কারিয়া, অধ্যক্ষ সঞ্জয় কুমার পাণ্ডে, সম্পাদক মনোজ কুমার বোথরা প্রমুখ।

আশোক কুমার গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “শিক্ষা ছাড়া সমাজের অগ্রগতি সম্ভব নয়। এই উদ্যোগ আগামী প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে। সুধীর কুমার মেহেতা বলেন, আধুনিক সাজসজ্জায় তৈরি এই পাঠাগারে ডিজিটাল লার্নিং-এর সুবিধা যুক্ত হওয়ায় ছাত্রছাত্রীরা অনলাইন রিসোর্স, ই-জার্নাল ও শিক্ষামূলক ডাটাবেস ব্যবহার করতে পারবে। এর ফলে তারা উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার গবেষণা এবং নতুন চিন্তা-ভাবনায় সক্ষম হবে।

বিদ্যালয়ের এই নবনির্মিত গ্রন্থাগারের উদ্বোধন শুধু একটি পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রকল্প নয়, বরং আগামী প্রজন্মের জন্য এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল বলে মনে করছে  বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এটি ছাত্রছাত্রীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও গবেষণার নয়া পথ উন্মুক্ত করবে বলেও মনে করা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.