৪ কার্তিক  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২২ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: চলতি মাসেই তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল সন্দেশখালির ন্যাজাট। সেই ঘটনায় এক তৃণমূল কর্মীর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সেই মহিলাকে দেখতে কলকাতার চিত্তরঞ্জন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে এমন পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলার বার্তা দেন অভিনেত্রী।

[আরও পড়ুন: ক্ষমতায় এলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কাটমানি ফেরত, প্রতিশ্রুতি বঙ্গ বিজেপির]

তিনজনের জীবনান্ত, একজন নিরুদ্দেশ। জখম প্রচুর। হতাহতের রাজনৈতিক পরিচয় আনুগত্য নিয়ে শাসক-বিরোধী চাপানউতোর, রাজ্য-জাতীয়স্তরে তুঙ্গে উঠেছিল তরজা। দেহ সৎকার নিয়েও হয় তুমুল অশান্তি। সন্দেশখালিকাণ্ড ঘিরে তিনদিন ধরে সরগরম হয়ে উঠেছিল রাজ্য। সেই ঘটনাতেই তৃণমূল কর্মীর স্ত্রী ইলা মণ্ডল বিরোধীদের আক্রমণের মুখে পড়েছিলেন বলে অভিযোগ। তাঁর পেটে লাথি মারা হয়েছিল। সেই সময় তিনি অন্তঃস্ত্বা ছিলেন। যন্ত্রণায় ছটফট অবস্থায় তাঁকে ভরতি করা হয়েছিল হাসপাতালে। তারপর থেকেই চিকিৎসা চলছে তাঁর। সন্তানের জন্ম দিলেও এখনও মানসিক ট্রমার মধ্যে রয়েছেন তিনি। তাঁকে দ্রুত সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করছেন চিকিৎসরা। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর পাশে দাঁড়াতেই এদিন হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ।

নুসরত বলেন, “আমি এতদিন জানতাম, এ রাজ্যে মহিলাদের সম্মান দেওয়া হয়। মহিলারা সম্মানের যোগ্য। তাই যেটা হয়েছে, আমি তার তীব্র নিন্দা করি। শুধু সন্দেশখালিতেই নয়, গোটা রাজ্যে এই হিংসার রাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত। এই সংঘর্ষে সাধারণ মানুষই আহত হচ্ছেন। এসব রুখতে প্রশাসন ও পুলিশ সবরকম চেষ্টা করবে। এর বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ করা হবে।” উল্লেখ্য, সাংসদ হওয়ার পরই বিয়ে করতে বিদেশ পাড়ি দিয়েছিলেন নুসরত। কিন্তু ফিরে এসেই লোকসভায় নজর কাড়েন তিনি। তুলে ধরেন এলাকার সমস্যা। রাজনীতির আঙিনায় তাঁর কাজ ইতিমধ্যেই প্রশংসা পেতে শুরু করেছে। এবার আক্রান্তের পাশে দাঁড়াতে হাসপাতালেও ছুটে গেলেন অভিনেত্রী।

[আরও পড়ুন: ‘বাংলাদেশের দরকার নেই, গোটা বিশ্বকে ইলিশ খাওয়াবে বাংলাই’, দাবি মমতার]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং