Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
China-Kolkata

জড়িয়ে রয়েছে ২০০০ বছরের ইতিহাস! ড্রাগন রেসের সাক্ষী থাকল তিলোত্তমা

অনুষ্ঠানে দুই দেশের ইতিহাস আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনের কথা বারবার উল্লেখ করেন চিনা দূতাবাসের জেনারেল।

Advertisement
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৬, ১৮:১৯

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৬, ১৮:১৯

options
link
জড়িয়ে রয়েছে ২০০০ বছরের ইতিহাস! ড্রাগন রেসের সাক্ষী থাকল তিলোত্তমা zoom
শহরে ড্রাগন বোট রেস।

কলকাতার বুকে চিনা ঐতিহ্য! রবীন্দ্র সরোবরে এক অন্য উৎসবের সাক্ষী থাকলেন শহরবাসী। ২০০০ বছরের বেশি পুরনো ড্রাগন রেসের আয়োজন করা হয়েছিল লেক ক্লাবে। মাঝে দীর্ঘসময় বিশেষ এই উৎসবে ছেদ পড়লেও তা ফের শুরু হয়েছে স্বমহিমায়। সেই অনুষ্ঠানে হাজির থেকে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের বার্তা দিলেন কলকাতা চিনা দূতাবাসের কনসাল জেনারেল সু ওয়েই। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সমস্ত চিনা দুতাবাসের আধিকারিক এবং কলকাতায়  থাকা চিনের নাগরিকরা। 

গত ১১ জুলাই দুপুর ৩টেয় এই রেসের আয়োজন করা হয়েছিল। সঙ্গে ছিল খাওয়া-দাওয়াও। রাখা হয়েছিল চিনের সুস্বাদু খাবার জংজি। যা রাইস ডাম্পিং হিসাবেও পরিচিত। অন্যদিকে লেকের জলে ওই রেসের দৃশ্য ছিল চমকে দেওয়ার মতো। তবে এই ড্রাগন রেস একেবারেই নতুন নয়, এই খেলার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এক ইতিহাস। তথ্য বলছে, ড্রাগন বোট রেস হল চিনের দুয়ানউ উৎসবের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতীক, যার ইতিহাস ২০০০ বছরেরও বেশি পুরনো। চিনা কনসাল জেনারেলের কথায়, শুধুমাত্র একটা খেলা নয়, বরং এটি একটি বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং চিনের সংস্কৃতিকে জানার এক চমৎকার মাধ্যম। চিনা এই ড্রাগন রেসে চারটি দল অংশ নিয়েছিল। যা দেখে রীতিমতো অভিভূত সু ওয়েই। তাঁর কথায়, এটাই হল আসল ‘ড্রাগন বোট স্পিরিট’। শুধু তাই নয়, আগামি দিনেও কলকাতায় এই ড্রাগন বোটের ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখা হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন চিনা কনসাল জেনারেল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্যদিকে এই অনুষ্ঠানে দুই দেশের ইতিহাস আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনের কথা বারবার উল্লেখ করেন চিনা কনসাল জেনারেল। তিনি জানান, বৈচিত্র্যই সভ্যতাগুলোকে কাছাকাছি নিয়ে আসে। আর যখন বিভিন্ন সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটে, তখন তারা একে অপরের থেকে শেখে এবং একসঙ্গে সমৃদ্ধ হয়। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ফা হিয়েন, হিউয়েন সাঙয়ের কথাও উঠে আসে। চিনা কনসাল জেনারেলের বার্তায় উঠে এসেছে রবীন্দ্রনাথের কথাও।

সু ওয়েই আরও জানিয়েছেন, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দুটি দেশ চিন এবং ভারত। এমনকী অর্থনৈতিকভাবেই দুই দেশ ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উপরে উঠে আসছে। তবে আগামিদিনে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও গভীর করে তুলবে বলেও আশাবাদী চিনা কনসাল জেনারেল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.