সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যক্তিগত সমস্যা নেই। কিন্তু দলের বিরুদ্ধে কোনও কটাক্ষ বরদাস্ত নয়, তার প্রতিবাদে কথা বলতেই হবে। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Gangopadhyay) মুখে আচমকা নিজের প্রশংসা শুনে ‘বন্ধুত্বে’র বার্তা দিয়েও দলের প্রতি কর্তব্যের কথা মনে করালেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। সোমবার কলকাতা হাই কোর্ট চত্বরে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষের সাক্ষাতের পর দু তরফেই যথেষ্ট প্রশংসার কথা শোনা গিয়েছে। বিশেষত তৃণমূল (TMC) মুখপাত্রের লেখনীর সুখ্যাতি করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।
সোমবার হাই কোর্টে নিজের ব্যক্তিগত কাজে গিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। সেই খবর জেনে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় তাঁকে নিজের ঘরে ডেকে পাঠান। দুজনের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথা হয়। এর পর এজলাসে গিয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় কুণাল ঘোষের প্রশংসা করেন। সূত্রের খবর, তিনি বলেছেন যে কুণাল ঘোষের সঙ্গে বেশ বন্ধুত্বের মতো হয়ে গিয়েছে। তিনি এও বলেন, ”একদিন আমার চেম্বারে এসেছিলেন। আমি তো বেশ অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।”
[আরও পড়ুন: নবান্নকে ৩ প্রশ্ন রাজভবনের, সিআরপিএফ কর্তার সঙ্গে কথা বলে কী জানতে চাইছেন বোস?]
তিনি আরও বলেন, ”মানুষটা খারাপ না। আমি একটা অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। উঠে দাঁড়িয়ে আমার সঙ্গে কথা বললেন। ভদ্র মানুষ, ভালো ব্যবহার করলেন। আমিই বা কেন খারাপ ব্যবহার করব? ওঁর একটি উপন্যাস আমাকে পাঠিয়েছেন। বেশ ভালো লিখেছেন। লেখার হাত খুব ভালো। যদিও আমাকে গালাগাল করতে ছাড়ছেন না। আমাকে টুল নিয়ে বাইরে বসতে বলেছেন।”
[আরও পডুন: স্টুডেন্ট ইন্টার্নশিপ প্রকল্পের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী, কারা সুবিধা পাবেন?]
এনিয়ে তাঁর মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া দিলেন কুণাল ঘোষও। হাসিমুখে তিনি বলেন, ”ওঁর কথা শুনলাম। আমার লেখার প্রশংসা করেছেন, তাতে আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আর উনি বলেছেন শুনলাম যে আমি নাকি ওঁর প্রতি কটাক্ষমূলক মন্তব্য করি। আমি বলতে চাই, উনি আমার দল বা দলনেত্রী সম্পর্কে যদি বিরূপ মন্তব্য করেন, তাহলে দলের হয়ে তার প্রতিবাদ করা আমার কর্তব্য। আমি সেটাই করি। এমনিতে আমার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কোনও বিরোধিতা নেই। আমারও ওঁর সঙ্গে আড্ডা দিতে বেশ ভালোই লাগে। আজও তো ওঁর ঘরে গেলাম, গল্প করলাম। উনি চা-বিস্কুট খাওয়ালেন।”
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন