Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
আরজি কর হাসপাতাল

আরজি কর হাসপাতালের ছাদ থেকে মরণঝাঁপ মহিলা চিকিৎসকের

তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২০, ১৬:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২০, ১৬:৫১

options
link
আরজি কর হাসপাতালের ছাদ থেকে মরণঝাঁপ মহিলা চিকিৎসকের zoom

গৌতম ব্রহ্ম: রাজ্যজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে করোনা ভাইরাস। এই মারণ রোগ চাপ সৃষ্টি করেছে স্বাস্থ্য পরিষেবার উপরও। প্রতিনিয়ত বাড়ছে সংক্রমণের ঘটনা। এহেন পরিস্থিতিতে শুক্রবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ  হাসপাতালের ছাদ থেকে মরণঝাঁপ দিয়েছেন এক চিকিৎসক। 

[আরও পড়ুন: বাংলার আরও ৬ জেলা রেড জোনে, সংশোধিত তালিকা দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক]

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, হাসপাতালের ৭ তলা থেকে ঝাঁপ দেন পৌলমী সাহা (২৫) নামের এক মহিলা চিকিৎসক। গুরতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। ওই প্রত্যক্ষদর্শী আরও জানান, এদিন ফিভার ক্লিনিকে ডিউটিতে ছিলেন পৌলমী। বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিকে, হাসপাতালে এমন এক ঘটনা ঘটায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। অবসাদ থেকে আত্মহত্যা করেছেন পৌলমী, না এই ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনপ কারণ রয়েছে তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। অনেকেই মনে করছেন, করোনা আবহে প্রচণ্ড চাপের মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। ফলে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন অনেকেই।

Advertisement

উল্লেখ্য, রাজ্যের চিন্তা বাড়িয়ে বাংলার ৬টি জেলাকে রেড জোনের আওতায় ফেলেছে কেন্দ্র। কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের নতুন করে রেড জোনের আওতায় ঢুকল দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও মালদহ।  ‘গ্রিন জোন’ বীরভূমেও থাবা বসিয়েছে মারণ ভাইরাস। এক প্রৌঢ়া-সহ ৩ জনের শরীরে মিলল করোনার জীবাণু।  সব মিলিয়ে রাজ্যে দ্রুত গতিতে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।       

[আরও পড়ুন: ‘গ্রিন জোন’ বীরভূমেও সংক্রমণ! করোনা পজিটিভ মুম্বই ফেরত ৩]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.