BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

উত্তরপ্রদেশ থেকে পালিয়ে কলকাতায় আশ্রয়, লালবাজারের হাতে গ্রেপ্তার পঞ্চায়েত সদস্য

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: September 12, 2020 8:48 pm|    Updated: September 12, 2020 8:49 pm

An Images

অর্ণব আইচ: পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা পাওয়ার জন্য উত্তরপ্রদেশে গুলি চালিয়ে হামলার নাটক সাজিয়েছিল সে। পুলিশ বুঝতে পারার পরই উত্তরপ্রদেশ থেকে পালিয়ে যায় সুরেন্দ্র কালিয়া। তার সন্ধান দিতে পারলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে লখনউ পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুর থেকে গ্রেপ্তার করলেন সুরেন্দ্র কালিয়াকে।

[আরও পড়ুন: বিমান সফরে জারি আরও একগুচ্ছ বিধিনিষেধ, জেনে নিন দমদম বিমানবন্দরের নিয়মাবলি]

পুলিশ জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) হরদইয়ের কছনা এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য সুরেন্দ্র কালিয়া যাদবপুরের একটি বাড়িতে নাম ভাড়িয়ে লুকিয়েছিল। উত্তরপ্রদেশের রেলের ঠিকাদারির কাজ করত সে। সপ্তাহ তিনেক আগে উত্তরপ্রদেশের হরদইয় এলাকায় গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। দেখানো হয়, সুরেন্দ্রর উপর অন্য দুষ্কৃতীরা গুলি চালিয়েছে। এই গুলির লড়াইয়ের তদন্ত করে লখনউ পুলিশ জানতে পারে, পুরোটাই সাজানো। পুলিশের নিরাপত্তা পাওয়ার জন্যই সে এই কীর্তি করিয়েছে। বেগতিক বুঝে উত্তরপ্রদেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় সে। প্রথমে সুরেন্দ্র মধ্যপ্রদেশে গা ঢাকা দেয়। কিন্তু সেখানে পুলিশ হানা দেওয়ার আগেই খবর পেয়ে সুরেন্দ্র পালিয়ে যায়। লখনউ পুলিশ তাকে ধরার জন্য ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে। একই সঙ্গে সুরেন্দ্রর স্ত্রী ও পরিবারের আরও দু’জনকে টানা জেরা করা হয়।

পুলিশের অভিযোগ, গুলি চালানোর ষড়যন্ত্রে পরিবারের লোকেরাও জড়িয়ে ছিল। তারাই সুরেন্দ্রকে পালাতে সাহায্য করে। সুরেন্দ্রর স্ত্রী ও আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের জেরা করে পুলিশ জানতে পারে যে, কলকাতায় গা ঢাকা দিয়েছে সে। লখনউ পুলিশের পক্ষ থেকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়। গোয়েন্দারা খোঁজখবর করে যাদবপুর থেকে সুরেন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেন। তাকে আদালতে তোলা হলে জেল হেফাজতের রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। এর পর লখনউ পুলিশের আধিকারিকরা তাকে নিজেদের হেফাজতে নিতে পারেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: ভাঁড়ার গড়ের মাঠ, হাওড়া স্টেশনে ‘অনাবশ্যক’ সৌন্দর্যায়নে ক্ষুব্ধ রেলকর্মীরা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement