Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
করোনা

বিচারপতিকে করোনার অভিশাপ আইনজীবীর! জবাব তলব প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের

চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২০, ২০:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২০, ২০:০৬

options
link
বিচারপতিকে করোনার অভিশাপ আইনজীবীর! জবাব তলব প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের zoom

শুভঙ্কর বসু: রায় সন্তোষজনক না হওয়ায় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তকে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার অভিশাপ দিয়েছিলেন এক আইনজীবী। টেবিল চাপড়াতে চাপড়াতে বলেছিলেন, “রায় দিলেন না তো? আপনি করোনা আক্রান্ত হবেন!” কিন্তু অভিশাপ কাজে আসেনি। এখন পর্যন্ত সুস্থই রয়েছেন বিচারপতি দত্ত।

[আরও পড়ুন: অধিকৃত কাশ্মীরে ডাক্তারি পড়ে ভারতে চিকিৎসা করা যাবে না, ঘোষণা মেডিক্যাল কাউন্সিলের]

কিন্তু সেই ঘটনায় এবার ওই আইনজীবীর কাছে জবাব তলব করল কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণনের ডিভিশন বেঞ্চ। আইনজীবী হয়েও কেন তিনি একজন বিচারপতির সঙ্গে এমন কদর্য আচরণ করেছিলেন, চার সপ্তাহের মধ্যে তা তাঁকে হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে।

Advertisement

কিন্তু ঠিক কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে এমনটা ঘটেছিল?

একটি বাস সিজ হওয়ার মামলাকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এজলাসে ওই মামলায় সওয়াল করছিলেন আইনজীবী বিজয় অধিকারী। ঋণখেলাপি হওয়ায় গত ১৫ জানুয়ারি বিজয় বাবুর মক্কেলের একটি বাস সিজ করে ব্যাংক। সেটি নিলাম হওয়ার কথা ছিল। বিজয়বাবু চেয়েছিলেন ওই নিলাম প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করুক আদালত। তাই জরুরি ভিত্তিতে মামলাটির শুনানি করে নির্দেশ দিক আদালত। কিন্তু বিজয় বাবুর এই আরজি খারিজ করে দেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। বিচারপতি দত্ত জানান, যেহেতু বাসটি ১৫ ই জানুয়ারি আটক করা হয়েছে তাই এটি কোনও আর্জেন্ট বা জরুরী ম্যাটার নয়। নির্ধারিত সময়ে মামলার শুনানি হবে সংশ্লিষ্ট ডিভিশন বেঞ্চে।

এরপরই মেজাজ হারান বিজয় বাবু। বিচারপতি যখন তাঁর রায় শোনাচ্ছিলেন, তখনই তিনি বিচারপতিকে বাধা দিতে টেবিল চাপড়াতে থাকেন। ও বলেন, ”রায় না দিলে আপনি করোনা আক্রান্ত হবেন।” যদিও বিজয় বাবুর এই অভিশাপে কান দেননি বিচারপতি দত্ত। ওই আইনজীবীকে সঠিক ব্যবহার করতে সতর্ক করেন। তা সত্ত্বেও তিনি বিচারপতির কথায় কান দেননি। একই রকম আচরণ করে যান।

এরপরই আদালতের মর্যাদাহানি করা এবং এক মহান পেশার সদস্য হিসেবে যথাযথ ব্যবহার না করার অভিযোগে বিজয় অধিকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘‘অধিকারীকে জানাতে চাই, আমি আমার ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাওয়া কিংবা ভাইরাসের দ্বারা সংক্রমিত হওয়াকে ভয় পাই না। আদালতের মর্যাদা আমার কাছে সর্বোচ্চ। এবং তা বজায় রাখতে ওঁর বিরুদ্ধে অবমাননার অভিযোগ আনা হচ্ছে।”

ঘটনাচক্রে এরপরই বম্বে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন বিচারপতি দত্ত। ফলে বিজয় অধিকারীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলাটি স্থানান্তরিত হয় প্রধান বিচারপতির টিবি রাধাকৃষ্ণনের এজলাসে। সেই মামলায় এবার জবাব দিতে হবে বিজয় বাবুকে।

[আরও পড়ুন: এবার করোনায় আক্রান্ত কেন্দ্রীয় আয়ুশ মন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক, রয়েছেন হোম আইসোলেশনে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.