Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬

জানেন, অনাথ এই শিশুর জন্য কী করল কলকাতা পুলিশ?

পুলিশের এ কাজে শহরবাসী হিসেবে নিশ্চিত আপনিও গর্বিত হবেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০১৭, ১৪:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০১৭, ১৪:৪৭

options
link
জানেন, অনাথ এই শিশুর জন্য কী করল কলকাতা পুলিশ? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ট্রাফিক নিয়ে আমাদের অভিযোগ নিত্যদিনের। সামান্য পান থেকে চুন খসলেও শহরবাসীর মেজাজ খাপ্পা হয়ে ওঠে। অফিস যাওয়ার সময় হোক কিংবা ক্লান্ত পথে বাড়ি ফেরা-রাস্তায় সামান্যতম অসুবিধা হলেও ট্রাফিক পুলিশের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েই যেন শান্তি শহরবাসীর। কিন্তু এতো মুদ্রার একটি পিঠ মাত্র। রোদে জলে ভিজে উৎসবের দিনে যে ট্রাফিক পুলিশরা কাজ করে চলেন, তাঁদের জন্য সহমর্মিতা জানাতেও ভোলে না শহরের বাসিন্দারা। ঠিক তার পাশপাশি ট্রাফিক পুলিশরাও এমন কাজ করেন যে, যার জন্য শহরবাসীর মাথাও উঁচু হয়ে যায়।

‘শুধু হিন্দুরাই কেন ইদের শুভেচ্ছা জানাবে?’ প্রশ্নের মুখে প্রাক্তন আপ নেতা ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সম্প্রতি সেরকমই একটি উদাহরণযোগ্য কাজ করল কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ। দিন কয়েক আগে হারিয়ে গিয়েছিল বছর আষ্টেকের একটি ছোট্ট মেয়ে। জেমস লঙ সরণি ও রায় বাহাদুর রোড ক্রসিংয়ের কাছে বাচ্চাটিকে একা একা ঘুরতে দেখেন ট্রাফিক সার্জেন্ট পলাশ মণ্ডল। এ রাজ্যে শিশুপাচার চক্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। প্রায়শই এ ধরনের খবর উঠে আসে সংবাদের শিরোনামে। এ বাচ্চারও যে কী পরিণতি হতো, তা হয়তো কেউই জোর দিয়ে বলতে পারতেন না, যদি না এগিয়ে আসতেন এই সার্জেন্ট। বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে তিনি নিয়ে যান জেমস লং সরণি ট্রাফিক গার্ডের ওসি কাঞ্চন মণ্ডলের কাছে। শুরু হয় বাচ্চাটির পরিবারের খোঁজ। দুই অফিসার মিলে বাচ্চাটিকে তার পরিবারের হাতে তুলে দিতে বদ্ধপরিকর হন। তাঁদের এই প্রয়াসে খোঁজও মেলে অবশেষে। দেখা যায়, বাচ্চাটির মা-বাবা নেই। ঠাকুমার কাছেই থাকত সে। প্রায় সপ্তাহখানেক পাগলের মতো নাতনিকে খুঁজেছেন ওই বৃদ্ধা। কিন্তু পাননি। তবু এ শহরেই যে আছেন পলাশ মণ্ডল বা কাঞ্চন মণ্ডলের মতো অফিসাররা। আর তাই ওই বৃদ্ধা নিজে কিছু করতে না পারলেও, যা করার করে দিলেন এই অফিসাররাই। তাঁরা আদরের নাতনিকে ফিরিয়ে দেন ঠাকুমার হাতে। দু’জনেরই মুখ হাসিতে ঝলমলে। আর সেই হাসিই যেন বড় পুরস্কার হয়ে উঠেছে দুই অফিসারের হাতে।

প্রায়শই ট্রাফিক নিয়ে নানা অভিযোগে আমাদের ঝুলি ভরে ওঠে। তবে সেটাই তো সব নয়। এই অফিসারদের কাজ শহরবাসীর মাথা উঁচুও করে দেয়, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

বাংলার একতা কেউ ভাঙতে পারবে না, ইদে বার্তা মমতার  ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.