Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

একের পর এক দুর্ঘটনায় এবার ঢাকুরিয়া-টালা ব্রিজ নিয়ে উদ্বেগ

প্রাণ হাতে নিয়ে ব্রিজে উঠতে ভয় পাচ্ছে কলকাতা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮, ০৯:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮, ০৯:৩৩

options
link
একের পর এক দুর্ঘটনায় এবার ঢাকুরিয়া-টালা ব্রিজ নিয়ে উদ্বেগ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উল্টোডাঙা তারপর পোস্তা সর্বশেষ মাঝেরহাট। বছর কয়েকের অন্তরে ঘটে যাওয়া তিন তিনটি ব্রিজ ধসে পড়ার ঘটনা খাস মহানগরের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। প্রাণ হাতে নিয়ে ব্রিজে উঠতে ভয় পাচ্ছে কলকাতা। এই আশঙ্কা কি অমূলক? ঢাকুরিয়া ও টালা ব্রিজকে কলকাতার লাইফলাইন হিসেবে গণ্য করা হয়। মধ্য কলকাতার সঙ্গে দক্ষিণের সংযোগস্থাপনে ঢাকুরিয়া ব্রিজ অন্যতম। আর পূর্ব শহরতলির প্রায় একমাত্র যোগসূত্র টালা ব্রিজ। প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা জুড়ে এই ব্রিজ দিয়ে যান চলাচল করে। এই ব্রিজ দু’টির স্বাস্থ্য ভাল আছে তো?

[কেন ভেঙে পড়ল মাঝেরহাট ব্রিজ? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রাজ্য সরকারের তরফে মঙ্গলবারই জানানো হয়েছে, মহানগরের তো বটেই রাজ্যের সবকটি ব্রিজের রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে ত্রুটির অবকাশ নেই। নিয়মিত দেখভাল করা হয়। মাস আষ্টেক আগে চিংড়িহাটা ব্রিজে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে একটি খবর রটে। তারপর ‘রাইটস’কে ব্রিজ পরীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই সুপারিশ অনুযায়ী মেরামতি ও দেখভালের কাজ করে সরকার। টালা বা ঢাকুরিয়ার ক্ষেত্রে তাই আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। সাধারণ পথচারীদের, ব্রিজের নিচে বসবাসকারী মানুষের ভয় তাতে যে কাটেনি মঙ্গলবার সেখানে গিয়ে তা বোঝা গেল। আগরপাড়ায় থাকেন সব্যসাচী দে। প্রতিদিন ডালহৌসি আসেন। তাঁর বক্তব্য, “ব্রিজের উপর জ্যামে গাড়ি আটকালে দেখতে পাই ব্রিজের এখানে সেখানে শ্যাওলা জমে রয়েছে। এমনকী চারাগাছ ফুঁড়ে বেরতেও দেখেছি।” এসপ্ল্যানেডে দোকান রয়েছে, অনিমেষ মহাপাত্রর। তিনি থাকেন যাদবপুরে। নিত্যদিন যাতায়াত ঢাকুরিয়া ব্রিজ দিয়ে। মাঝেরহাট ব্রিজ ভেঙে পড়ার পর তাঁর প্রতিক্রিয়া, “এবার ঢাকুরিয়া ব্রিজে উঠলেই বুক কাঁপবে। ব্রিজের রেলিং ভাঙা। বেশ কয়েক জায়গায় ফাটল ধরেছে।” ওই ব্রিজের নিচে বসেন এক ছোট দোকানদার। তিনি বলেন, “বৃষ্টি হলেই ব্রিজের ফাটল দিয়ে জল ঝরে। নিচের দিকটা ফেটে ফেটে গিয়েছে। বহুদিন কোনও সরকারি কর্মীকে দেখতে পাইনি।”

টালা বা ঢাকুরিয়া নয়। কলকাতা ক্রমশ দু’তলা হয়ে উঠছে। ক্রমশ বাড়তে থাকা শহরটির লাইফলাইন বলতে পেল্লায় সব ব্রিজ। সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণে বাড়তি নজর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। শহরের পুরনো উড়ালপুলগুলি নিয়ে আলোচনা শোনা গিয়েছে।

[ব্রিজ কাণ্ডের তদন্ত হওয়া দরকার, ঘটনাস্থলে গিয়ে মন্তব্য রাজ্যপালের]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.