Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সিলেবাস থেকে বাদ ধর্মনিরপেক্ষতা-নাগরিকত্বের পাঠ, CBSE’র সিদ্ধান্তে স্তম্ভিত মমতা

টুইট করে সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেচএন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২০, ১৯:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২০, ১৯:৪০

options
link
সিলেবাস থেকে বাদ ধর্মনিরপেক্ষতা-নাগরিকত্বের পাঠ, CBSE’র সিদ্ধান্তে স্তম্ভিত মমতা zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: করোনা পরিস্থিতিতে থমকে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। বাতিল হয়েছে একাধিক পরীক্ষা। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবারই পড়ুয়াদের উপর চাপ কমাতে সিলেবাস কাটছাঁট করার কথা জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল। সেইজন্যই CBSE’র একাদশ শ্রেণির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সিলেবাস থেকে বাদ দেওয়া হল ধর্মনিরপেক্ষতা (Secularism), দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো (Federalism), ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা (Food Security), নাগরিকত্বের (Citizenship) মতো গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। যা নিয়ে জলঘোলা শুরু হয়েছে। বুধবার একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর টুইট করে এর তীব্র বিরোধিতা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। যা নিয়ে সরগরম রাজনৈতিক মহল।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী টুইট করে লিখেছেন, ‘নাগরিকত্ব, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতান্ত্রিক অধিকার, খাদ্য সুরক্ষা, দেশভাগের মতো বিষয়কে CBSE’র সিলেবাস কমানোর নামে পাঠ্যক্রম থেকে বাদ দিতে চাইছে কেন্দ্র। এটা জেনে আমি স্তম্ভিত। আংরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি। সেইসঙ্গে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের কাজে আবেদন করছি যাতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি বাদ না দেওয়া হয়।’ এদিন একথাই টুইট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্বও। সিবিএসই’র এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে বিবৃতি জারি করেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও। তাঁর কথায়, “সিবিএসই’র এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করছি।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনার থাবা CBSE’র সিলেবাসেও, বাদ গেল ধর্মনিরপেক্ষতার চ্যাপ্টার]

যদিও CBSE’র সাফাই, এর পিছনে রাজনৈতিক কোনও উদ্দেশ্য নেই। মহামারী পরিস্থিতির জন্যই এটি কেবল ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে কার্যকর করা হবে। উল্লেখ্য, অর্থনীতি থেকেও বাদ পড়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর মধ্যে রয়েছে ‘পরিকল্পনা উন্নয়ন’, ‘ভারতীয় অর্থনীতির উন্নয়নের ধারা বদল’, ‘প্ল্যানিং কমিশন এবং পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা’ (Planning Commission and Five years plan), বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মায়ানমারের মতো প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের বৈদেশিক সম্পর্কও। এমনকী, ‘গণতন্ত্র ও বৈচিত্র্য’, ‘জাত-ধর্ম-লিঙ্গ’ শীর্ষক অধ্যায়টিও সিলেবাসের বাইরে। বাদ পড়েছে খাদ্য সুরক্ষার (Food Security) অধ্যায়টিও।

[আরও পড়ুন: বাম জমানায় ১০০ শতাংশ দুর্নীতি হয়েছে, আমাদের সময় ৭-৮ শতাংশ হয়েছে : মমতা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.