Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬

সেতুভঙ্গে মাথাচাড়া দিচ্ছে ফড়েরাজ, কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে সিদ্ধান্ত৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৮, ১১:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৮, ১১:০৩

options
link
সেতুভঙ্গে মাথাচাড়া দিচ্ছে ফড়েরাজ, কড়া হুঁশিয়ারি মমতার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিপজ্জনক সেতু বাঁচাতে ও নিরাপত্তার স্বার্থে নেওয়া সরকারি সিদ্ধান্তকে ঢাল করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে একশ্রেণির ব্যবসায়ী। এবার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পথে সরকার। এই ধরনের ফড়েরাজকে যে কোনওভাবে মাথাচাড়া দিতে দেওয়া হবে না, তা নবান্নে টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হল। বড় লরি ঢোকা ও ওভারলোড বন্ধ মানেই দাম বাড়িয়ে মানুষের উপর চাপ দেওয়া নয়। তা-ও নিশ্চিত করতে চায় সরকার৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে নির্দেশ দিয়েছেন, কোনওভাবে সাধারণ মানুষের আয়ত্তের বাইরে যেন দাম না যায় তা সুনিশ্চিত করতে হবে। বাজারে নজরদারি চালাতে হবে।

[বহরে বাড়ছে দল, যোগদানের জন্য স্থায়ী মঞ্চ গড়ছে রাজ্য বিজেপি]

মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে ঠিক হয়েছে রাজ্যে মাছ চাষ বাড়াতে হবে। এখন অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে মাছ আনাতে হয়। আগামী বছরের মধ্যে মাছ চাষ বাড়িয়ে স্বনির্ভর হতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ভূমি দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বেশ কিছু জলাজমি বাম আমল থেকে দখল হয়ে রয়েছে। সেগুলি যে কোনওভাবে উদ্ধার করে সরকারি স্তরে মাছ চাষ শুরু করতে হবে। এতে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। রাজ্যে এখন প্রায় ১৭ লক্ষ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়। আরও প্রায় দুই লক্ষ মেট্রিক টন উৎপাদন বাড়াতে হবে। মৎস্য দপ্তর সূত্রে খবর, জল ধরো জল ভরো প্রকল্পে তৈরি জলাশয়গুলিতে মাছ চাষের ভাবনা বাস্তবায়িত করা হবে দ্রুত।

Advertisement

[শহরে ফের ডেঙ্গুতে প্রাণহানি, একবালপুরের নার্সিংহোমে মৃত্যু মহিলার]

খাদ্য দপ্তরের অধীন কিছু রেশন ডিলার ভাল চালের জায়গায় খারাপ চাল দিচ্ছেন বলে অভিযোগ এসেছে। সেগুলি দেখতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে হবে। সরকারের লক্ষ্য মানুষকে উপযুক্ত পরিষেবা দেওয়া। সেখানে কোনওরকম ঢিলেমি, একশ্রেণির মানুষের অসাধুতা বরদাস্ত করা হবে না। ন্যাহ্য মূল্যে পণ্যের গুণমান বজায় রেখে মানুষের হাতে তুলে দেওয়া লক্ষ্য। হিমঘরে এখনও ৫২ শতাংশ আলু মজুদ রয়েছে। ফলে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই। কিন্তু পিঁয়াজের দাম বাড়ছে। রাজ্যে উৎপাদন বাড়লে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। সেদিকে নজর দিতে হবে। রাস্তায় ওভারলোডেড লরি দেখলেই ব্যবস্থা নিতে হবে। বেশ কিছু রাস্তায় ও সেতুতে ২০ চাকার লরি বন্ধ করা হয়েছে নিরাপত্তার স্বার্থে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, ব্যবসায়ীরা সুযোগ নেবেন। এটা করা চলবে না। নজরদারি বাড়াতে হবে। আটকাতে হবে বড় গাড়ি, কিন্তু দাম রাখতে হবে মানুষের নিয়ন্ত্রণে। সারা ভারতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন একদিনের যে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে তাতে সাড়া না দিয়ে ইস্যুভিত্তিক সমর্থন করতে বলেছে সরকার।

[দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে টোলট্যাক্স মকুব বাইক চালকদের, যানজট কমাতে সিদ্ধান্ত প্রশাসনের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.