৮ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ২৬ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সন্দীপ চক্রবর্তী: ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধরের জল বহুদূর গড়িয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী আসরে নামার পরও সমস্যার জট কাটেনি৷ এবার আরও সদর্থক পদক্ষেপ নিতে মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের খোলা চিঠি লিখলেন৷ তাতে আবেদন জানালেন, দূরদূরান্তের রোগীদের সঙ্গে সহযোগিতা করার৷ হাসপাতালগুলির পরিষেবা মসৃণভাবে চালানোর আবেদনও জানিয়েছেন ওই চিঠিতে৷

[আরও পড়ুন : ‘জয় শ্রীরাম ধ্বনির ভয়ে এনআরএসে যাননি মমতা’, ঘোলা জলে রাজনীতি দিলীপের]

সকালে এসএসকেএমে গিয়ে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে তিনি সকলকে কাজে ফেরার ৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন৷ বলেছিলেন, হাসপাতালের ডাক্তাররা নন, অচলাবস্থার জন্য দায়ী ‘বহিরাগত’রা৷ আর তাঁর এই মন্তব্যে যেন আগুনে আরও ঘি পড়ল৷ মুখ্যমন্ত্রীর নিঃশর্ত ক্ষমার দাবি তুলে গণইস্তফার পথে ইতিমধ্যেই হেঁটেছেন সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের বেশ কয়েকজন চিকিৎসক৷ যদিও তাঁদের ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়নি৷ বরং বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মবিরতি জারি রয়েছে৷ ভুক্তভোগী হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা৷ মৃত্যুর ঘটনাও কম নয়৷ চিকিৎসকদের এই প্রতিবাদকে সমর্থন করে শুক্রবার দেশজুড়ে কর্মবিরতি পালন করবেন এইমসের চিকিৎসকরা৷

আর এই পরিস্থিতিই আরও উদ্বেগ বেড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর৷ রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা গত ৩ দিনে অনেকটাই ক্ষতির মুখে পড়েছে৷ ক্ষমতায় আসার পর যাঁর হাত ধরেই ফিরেছিল রাজ্যের চিকিৎসার হাল, পরিকাঠামো উন্নয়ন৷ যার ফলে সরকারি হাসপাতালের উপর নির্ভরশীলতা ফিরে আসে রাজ্যবাসীর৷ সেই ইমেজে এমন একটা ঘটনা অনেক কিছুকে বিপাকে ফেলে দিতে পারে৷ সর্বোপরি ডাক্তারদের কর্মবিরতি, গণইস্তফা – এধরনের ধারাবাহিক আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ৷ তাই মুখ্যমন্ত্রী এবার খোলা চিঠি লিখলেন চিকিৎসকদের উদ্দেশে৷ আবেদন করলেন, পরিষেবা চালু করতে৷ সহযোগিতা করতে৷

[আরও পড়ুন : মুখ্যমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জের পালটা গণইস্তফা! পদত্যাগ সাগর দত্ত হাসপাতালের ৮ চিকিৎসকের]

এই সংক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রীর বেঁধে দেওয়া সময়সীমা বিকেল চারটে নাগাদ শেষ হলেও, চিকিৎসকরা তা মানেননি৷ তাই কীভাবে তাঁদের ফেরানো যায়, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নবান্নে জরুরি বৈঠকে বসেছেন তিনি৷ সঙ্গে রয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, স্বাস্থ্য সচিব এবং মুখ্যসচিব৷ এই মুহূর্তে রাজ্যের হাসপাতালগুলির পরিষেবা চালু করা প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে৷  

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং