Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee Didi Ke bolo

৫০০ দিন পূর্ণ হল ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির, উপকৃত ২৮ লক্ষ! ধন্যবাদ জানিয়ে টুইট মমতার

'দিদিকে বলো'তে পাওয়া পরামর্শ থেকেই বহু প্রকল্পের ভাবনা, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২১, ১২:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২১, ১২:৫০

options
link
৫০০ দিন পূর্ণ হল ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির, উপকৃত ২৮ লক্ষ! ধন্যবাদ জানিয়ে  টুইট মমতার zoom
দ্বিতীয় মমতা সরকারের জনপ্রিয় প্রকল্প 'দিদিকে বলো'।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৫০০ দিন পূর্ণ হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee ) মস্তিস্কপ্রসূত ‘দিদিকে বলো’ (Didi Ke Bolo) কর্মসূচির। গত বছর ২৯ জুলাই রাজ্যজুড়ে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। উদ্দেশ্য ছিল, রাজ্যের সাধারণ মানুষের সরকারি সুযোগ সুবিধা পেতে যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তা নিশ্চিত করা। সরকারি কর্মসূচি বা সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোথাও কোনও সমস্যায় পড়লে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে নিমেষে মেলে সমাধান। বুধবার এই কর্মসূচি একটি মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলল। এই ৫০০ দিনে ২৮ লক্ষ মানুষ এই প্রকল্পের ফলে উপকৃত হয়েছেন বলে দাবি মমতার। 

‘দিদি কে বলো’ কর্মসূচির ৫০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে টুইট করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন,”আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি আজ ৫০০ দিন পুরণ করেছে। এই ৫০০ দিনে ৯১৩৭০৯১৩৭০ হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে উপকার পেয়েছেন ২৮ লক্ষ মানুষ। সব মিলিয়ে ৮০ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছে এই কর্মসূচি। এই কর্মসূচিতে সমর্থনের জন্য সকলকে ধন্যবাদ।” মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন,”দিদিকে বলো’ থেকে পাওয়া পরামর্শের ভিত্তিতেই রাজ্য সরকার ষষ্ঠ বেতন কমিশন চালু করেছে, সামাজিক সুরক্ষা যোজনা আরও ব্যাপক হারে কার্যকর করছে। চালু হয়েছে পথশ্রী, দুয়ারে সরকার (Duare Sorkar), পাড়ায় সমাধান, জয় জোহর, স্নেহের পরশ, প্রচেষ্টা, তফসিলি বন্ধুর মতো বহু প্রকল্প।”

[আরও পড়ুন: ‘মাননীয়া লড়ছেন গ্রেটার বাংলাদেশের লক্ষ্যে’, বিস্ফোরক ফেসবুক পোস্ট দিলীপের]

প্রসঙ্গত, উনিশের লোকসভা ভোটে রাজ্যে বিজেপির (BJP) উত্থানের পর সরকারের ভাবমূর্তি উজ্বল করার লক্ষ্যেই এই কর্মসুচিত চালু করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকার তো বটেই দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদেরও নামিয়ে দেওয়া হয়েছে এই প্রকল্পের প্রচারে। শুরুর দিকে নেতা-বিধায়করা নিয়ম করেই প্রকল্পের প্রচার করতেন, যার ফলে তৃণমূল স্তরে দলের সাংগঠনিক শক্তিও বৃদ্ধি পেয়েছে। সেসবেরই ফলশ্রুতিতে বহু মানুষ এই প্রকল্পের ফলে উপকৃত হয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.