Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
মমতার আপত্তি

ফের সংঘাতে কেন্দ্র-রাজ্য, বঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের আসা নিয়ে টুইটারে ক্ষোভ মমতার

উদ্দেশ্য স্পষ্ট না হলে সহযোগিতা নয়, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২০, ১৭:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২০, ১৭:১৮

options
link
ফের সংঘাতে কেন্দ্র-রাজ্য, বঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের আসা নিয়ে টুইটারে ক্ষোভ মমতার zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আবহেও ফের সংঘাতের পথে কেন্দ্র-রাজ্য। কলকাতা-সহ বাংলার ৭ জেলার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তাই সামগ্রিকভাবে তা খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রের দুটি প্রতিনিধি দল। আর তা নিয়েই অসন্তোষ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটারে তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উল্লেখ করে জানতে চাইলেন, কী কারণে এ রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল পাঠানো হল। এই উত্তর তাঁর কাছে স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী।

বিশ্বজুড়ে মহমারির দাপট। কেউই এর থাবা থেকে মুক্ত নয়। ভারতেও করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় দু দফায় লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেই বৈঠকে ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বার দুই বৈঠকের পর তিনি নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, সংকট মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্য একযোগে কাজ করবে। আলোচনার মাধ্যমেই প্রতিটি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অর্থাৎ, রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে দেশের এমন দুঃসময়ে হাত হাত মিলিয়ে বিপদ রুখে দেওয়ার কাজে এগিয়ে এসেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের মুখ্যসচিবও জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রের পরামর্শ মেনে প্রতিটি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: করোনা পরীক্ষার কিট ত্রুটিপূর্ণ, টুইটারে ICMR-এর দিকে আঙুল তুলল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর]

এদিকে, সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, বেশ কয়েকটি রাজ্য থেকে লকডাউন ঠিকমতো পালন করা হচ্ছে না। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ আসছে। সামাজিক দূরত্ব না মেনে ব্যাংক, রেশন দোকান এবং বিভিন্ন বাজারে মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। প্রাইভেট এবং বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত গাড়িতে রীতিমত যাত্রী নিয়ে যাতায়াত চলছে শহরের এপ্রান্ত থেকে ও প্রান্তে। এই পরিস্থিতিতে লকডাউনের মানে কী?

কিন্তু কেন্দ্র-রাজ্যের সেই সহযোগিতায় ফের কাঁটা। সোমবারই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক কলকাতা-সহ দেশের চারটি মহানগরের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যে তালিকায় রয়েছে কলকাতা ছাড়াও রাজ্যের ৬টি জেলা। এরপরই পরিস্থিতি দেখতে এখানে এসেছে কেন্দ্রের দুটি প্রতিনিধিদল। সোমবার বিকেলে পণ্যবাহী বিমানে এখানে পৌঁছন প্রতিনিধিরা। তাঁরা কলকাতা ও স্পর্শকাতর জেলাগুলি ঘুরে দেখবেন। আর এই আবহেই কেন্দ্রের সঙ্গে ফের মনোমালিন্যে জড়াল নবান্ন।

টুইট করে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুললেন, কেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদলকে এ রাজ্যে পরিদর্শনে পাঠানো হল? এর কারণ তাঁর কাছে স্পষ্ট নয় বলেও লিখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে তাঁর আরও দাবি, মহামারি মোকাবিলায় কেন্দ্রকে সহযোগিতা করছে তাঁর নেতৃত্বাধীন প্রশাসন। কিন্তু কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পাঠানোর কারণ স্পষ্ট না করলে আর সহযোগিতার পথে থাকবেন না তিনি। এই পদক্ষেপকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় আঘাত বলেও মনে করছেন। যদিও স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব পুণ্যসলিলা শ্রীবাস্তবের বক্তব্য, ভাবনাচিন্তা করেই এই প্রতিনিধিদল তৈরি হয়েছে। এতে করোনা মোকাবিলায় রাজ্যগুলির সুবিধাই হবে। আগামী ৩ দিনের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট দিতে হবে।  এই পরিস্থিতিতে ফের কেন্দ্র ও রাজ্যের তৈরি হল নতুন বিরোধ। যা এই সংকটময় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলল বলে ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলের।

[আরও পড়ুন: থানাগুলিকে সতর্ক বার্তা স্বরাষ্ট্র দপ্তরের, পুলিশের জন্য এল পিপিই, মাস্ক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.