৬ আশ্বিন  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: চলতি বিধানসভায় বাম এবং কংগ্রেসকে কাছে টানতে উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী৷ শুক্রবার বিধানসভা অধিবেশনে নিজের ঘরে বাম বিধায়কদের ডেকে নিয়ে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ জ্যোতি বসু স্মারক মিউজিয়ামের জমিজট কাটাতে এই আলোচনা বলে বিধানসভা সূত্রে খবর৷

[আরও পড়ুন: রোগী ও পরিবারের সঙ্গে মিষ্টি ব্যবহার করুন, ডাক্তারদের পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর]

শুক্রবার অধিবেশনের পর বাম বিধায়কদের নিজের ঘরে ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী৷ বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী, বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান৷ সেখানেই বাম বিধায়করা জ্যোতি বসুর নামে মিউজিয়াম তৈরিতে বিলম্ব হওয়া নিয়ে অভিযোগ জানান৷ ২০১১ সালের আগস্টে নিউটাউনের কাছে একটি জমি নেওয়া হয়েছিল৷ পুরো টাকা দিয়ে দেওয়া হলেও, এতদিন ধরে কোনও কাজই শুরু করা যায়নি৷ তা নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানান বাম বিধায়করা৷

জমিজট নিয়ে আগেও কয়েকদফা আলোচনা হয়৷ সূত্রের খবর, সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বামেদের অন্য একটি জায়গায় জমি দেওয়ার প্রস্তাব দেন৷ কিন্তু তাতে রাজি ছিল না বাম নেতৃত্ব৷ তাঁদের দাবি ছিল, জমির দামবাবদ ৪ কোটি ১৫ লক্ষেরও বেশি টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাই অন্য জমিতে তাঁরা কাজ করতে চান না৷ এরপর শুক্রবারের বৈঠকে নিউটাউনের জমিটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সবুজ সংকেত মিলেছে বলে খবর৷ ফলে জট কেটে জ্যোতি বসু স্মারক সংগ্রহশালার কাজ শুরু হবে বলে আশাবাদী তাঁরা৷ এভাবে বামেদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে সৌজন্য দেখালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

[আরও পড়ুন: জল সংরক্ষণে এগিয়ে আসুন, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে আহ্বান উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রীর]

এদিন কংগ্রেসকেও কাছে টানার মতো পদক্ষেপ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ পুরুলিয়া সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল (দেবেন মাহাতো সদর)-এর নাম বদল করে দেবেন মাহাতো সদর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল করার ভাবনা রাজ্য সরকারের৷ বর্তমানে পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডির কংগ্রেস বিধায়ক তথা বিধানসভায় কংগ্রেসের ডেপুটি লিডার নেপাল মাহাতো৷ তাঁরই বাবা দেবেন মাহাতো, যাঁর নামে পুরুলিয়ার এই সরকারি ডাক্তারি কলেজ ও হাসপাতাল৷ জঙ্গলমহলের এই জেলাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাতের দশকে দেবেন মাহাতোর অবদান চিরস্মরণীয়৷ তিনিই স্লোগান তুলেছিলেন, ‘ফাইট ফর পুরুলিয়া’৷ রাজনৈতিক বিরোধ থাকলেও এহেন এক ব্যক্তিকে সম্মান জানিয়েই হাসপাতালটির নামকরণের একেবারে গোড়ায় তাঁর নামটি রাখতে চান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী৷ শুক্রবার বিধানসভায় এই দুই সিদ্ধান্ত বিরোধী দলের মন নরম করে দিল, তা বলাই যায়৷      

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং