Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভালবাসা কারে কয়! হবু বউকে বাঁচাতে মেট্রোয় হুমকি ফোন প্রেমিকের

প্রেমের জোয়ারে কখন যে কী ঘটে যায়, কেই বা জানতে পারে!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ১২:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ১২:৫০

options
link
ভালবাসা কারে কয়! হবু বউকে বাঁচাতে মেট্রোয় হুমকি ফোন প্রেমিকের zoom
Advertisement

নব্যেন্দু হাজরা: প্রেমে পড়লে মানুষ কী না করে! চলতি এ কথা তো প্রায় সকলেরই জানা। ইতিহাস সাক্ষী, প্রেমিকার জন্য প্রেমিক করতে পারে না, হেন কাজ নেই। উলটোটাও সত্যি। তবে প্রেমিকা থুড়ি হবু বউয়ের জন্য বিজয়কুমার শর্মা যা করলেন, তা একরকম নজিরবিহীনই বলা যায়। প্রেমিকার প্রাণ বাঁচাতে ভরদুপুরে মেট্রোয় হুমকি ফোন করে বসলেন প্রেমিক শর্মাজি। আর তার জেরেই তুলকালাম।

[  সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে জোর, স্কুলপাঠ্যে এবার বিবেকানন্দের শিকাগো বক্তৃতা ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শর্মাজির বাড়ি হাওড়ায়। কর্মসূত্রে থাকেন পুণেতে। তাঁর প্রেমিকা রাইমা শর্মা (নাম পরিবর্তিত) থাকেন বড়বাজারের কটন স্ট্রিটে। সামনেই তাঁদের বিয়ে। চারহাত এক হতে বেশি দেরি নেই। তার আগে ডিসট্যান্ট রিলেশনশিপে যা হয়। বৃহস্পতিবার কপোত-কপোতির বেদম ঝগড়া হল। সম্পর্কের আকাশে এমন মেঘ-বিদ্যুৎ খেলল যে, মিস শর্মা একেবারে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। প্রেমিককে ফোনে বলেন, সামনেই রবীন্দ্র সদন মেট্রো। এ জীবন রেখে আর লাভ নেই। অতএব সেখানেই দেবেন ঝাঁপ। বলেই ফোনের সংযোগ ছিন্ন। এখন অতদূরে থেকে প্রেমিকপ্রবর আর কী করেন? হাতে সময় কম। সাতপাঁচ খতিয়ে ভাবার অবকাশ কোথায়! ইন্টারনেট ঘেঁটে সোজা ফোন করে বসেন রবীন্দ্র সদন মেট্রোর অফিসে। জানান, এখুনি একটা আত্মহত্যার ঘটনা ঘটবে। পারলে মেট্রো কর্তৃপক্ষ বাঁচিয়ে দেখাক!

[  বেআইনি কাজ রুখতে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নজরদারি, ইসরোর সঙ্গে চুক্তি রেলের ]

ফোনে এহেন ‘হুমকি’ শুনে তো মাথায় হাত স্টেশন মাস্টারের। সঙ্গে সঙ্গে সাজো সাজো রব পড়ে গেল। খবর দেওয়া হয় মেট্রো রেল কন্ট্রোলে। সেখান থেকে দ্রুত খবর গেল লালবাজারে, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টে, মায় বম্ব স্কোয়াডেও। পুলিশে ছেয়ে গেল স্টেশন। আনা হল পুলিশ কুকুরও। কিন্তু টানা মিনিট দশকের তল্লাশিতেও কিছুই মিলল না। পুরো ঘটনায় যখন তদন্তে নেমেছে লালবাজার, তখনই স্টেশন মাস্টারের কাছে ফের এল ফোন। এবার ওপারে প্রেমিকা স্বয়ং। বিনয়ের সঙ্গে মিস শর্মা জানাচ্ছেন, নেহাত ভালবাসার খাতিরেই এই কাজ করে ফেলেছেন বিজয়। তাঁকে যেন ছেড়ে দেওয়া হয়। কোনওকম হেনস্তার মুখে না পড়তে হয়। গলায় কাতর মিনতি। রাগের মাথায় আত্মহত্যার কথা বলেছিলেন তিনি। তার জেরে যে এরকম তুলকালাম বেধে যাবে, তা স্বপ্নেও ভাবেননি। বিজয়কে ছেড়ে না দিলে তাদের বিয়ে ভেস্তে যাবে বলেও জানান তিনি। এমন উথালপাথাল প্রেমের ঢেউয়ে বিভ্রান্ত পুলিশকর্তারাও। গ্রেপ্তার করবেন না অন্য কোনও ব্যবস্থা নেবেন ভেবেই উঠতে পারলেন না। তাই আপাতত মুখে কুলুপ মেট্রো কর্তপক্ষের। মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ইন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই ধরনের কোনও ঘটনা তাঁর জানা নেই। সত্যি, প্রেমের জোয়ারে কখন যে কী ঘটে যায়, কেই বা জানতে পারে!

গ্রাফিক্স: শান্তনু দে

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.