Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Mechua Bazar Fire

অভিযোগ উড়িয়ে আদালতে ফায়ার লাইন্সেস পেশ মেছুয়ার হোটেলের! ধৃতদের ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত

বিল্ডিং যে বিপজ্জনক, পুরসভা থেকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি, দাবি আইনজীবীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২৫, ১৭:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২৫, ১৭:২৮

options
link
অভিযোগ উড়িয়ে আদালতে ফায়ার লাইন্সেস পেশ মেছুয়ার হোটেলের! ধৃতদের ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত zoom

অর্ণব আইচ: মেছুয়া বাজার অগ্নিকাণ্ডে প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আদালতে সরকারি আইনজীবীর দাবি ছিল, হোটেলটির ফায়ার লাইসেন্স নেই। কিন্তু এদিন আদালতে হোটেলের ফায়ার লাইসেন্স পেশ করলেন মালিকের আইনজীবী। বৃহস্পতিবার হোটেল মালিক ও ম্যানেজারকে আদালতে তোলা হয়। তাদের হেফাজতে রাখতে চেয়ে আবেদন করেছিল পুলিশ। ধৃতদের আইনজীবীদের বিরোধিতা সত্ত্বেও ৮ মে পর্যন্ত তাদের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আচমকা বড়বাজারের মদন মোহন মেছুয়াবাজার ফলপট্টির একটি হোটেলে আগুন লাগে। প্রায় আট ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। হাইড্রোলিক ল্যাডার দিয়ে ২৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। ১৫ জনের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন হোটেলের মালিক আকাশ চাওলা এবং ম্যানেজার গৌরব কাপুর। বৃহস্পতিবার তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পেশ করা হয়।

Advertisement

আকাশের জামিন চেয়ে তাঁর আইনজীবী দাবি করেন, “এটা দুর্ঘটনা। তবু অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। মানুষ মারার কোনও ইনটেনশন ছিল না। তাহলে কেন অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা? এই দুর্ঘটনায় অভিযুক্ত আকাশের কোনও ভূমিকা নেই। কিন্তু পুলিশ নিজেদের হেফাজতে চাইছে। শর্ত সাপেক্ষে জামিন দিন।” একইসঙ্গে তাঁর দাবি, এই বিল্ডিং যে বিপজ্জনক, পুরসভা থেকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি। আরেক ধৃত গৌরব কাপুরের আইনজীবীর দাবি,
গৌরব হোটেলের কর্মী। এর থেকে বেশি কিছু এফআইআরে নেই। আর এফআইআর করা হয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। গৌরব তো বোর্ডের সদস্য নয়। তাই গৌরব কাপুরকে শর্তসাপেক্ষ জামিন দেওয়া হোক। একইসঙ্গে তার দাবি, শুধুমাত্র প্রশাসনের গাফিলতিতে এই ঘটনা ঘটেছে।

পালটা সরকারি আইনজীবীর যুক্তি, দুজন গ্রেপ্তার হয়েছে। একজন মালিক, একজন ম‍্যানেজার। দুজনই দায়িত্ব ও কর্তব্যবান । কিন্তু তা পালন করেননি। তিনি আরও দাবি করেন, হোটেলে কোনও এমারর্জেন্সি গেট নেই। বেরনোর পথ নেই । ফায়ার সেফটি ব্যবস্থা ছিল না। ফায়ার লাইসেন্স ছিল না। এরপরই আদালতে ফায়ার লাইসেন্স দেখালেন আকাশের আইনজীবী। এনিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দু’পক্ষের সওয়াল জবাবের পর ধৃতদের আটদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.