অর্ণব আইচ: দিন কয়েক আগেই নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, মাস্টারমাইন্ড কুন্তল ঘোষ। শুক্রবার আদালতে পেশের আগে কুন্তল দাবি করলেন, শান্তনুর বক্তব্য অপ্রাসঙ্গিক। পাশাপাশি তাঁর সম্পত্তি নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন কুন্তল ঘোষ।
শুক্রবার বেলা সওয়া বারোটা নাগাদ কুন্তল ঘোষকে নিয়ে যাওয়া হয় ব্যাঙ্কশাল আদালতে। সেখানে দলের বহিষ্কার থেকে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয় কুন্তলকে। সেখানেই শান্তনুর ‘মাস্টারমাইন্ড’ মন্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, “অপ্রাসঙ্গিক, এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না।” এরপরই দলের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন তিনি। বলেন, “দলের সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নেব।”
[আরও পড়ুন: মরশুমের প্রথম কালবৈশাখীতে এক ধাক্কায় তাপমাত্রা কমল ৫ ডিগ্রি, আজ ফের ঝড়ের সম্ভাবনা]
এদিন পালটা সংবাদমাধ্যমকে আক্রমণ করেন কুন্তল। বলেন, “আপনাদের বলছি তথ্য যাচাই করে তারপর দেখান। আপনারা দেখাচ্ছেন গোয়ায় হোটেল, ত্রিপুরায় চা বাগান আমার। আপনারাই সেগুলির ঠিকানা দিন আমাকে।” অর্থাৎ কুন্তলের দাবি, তাঁর সম্পত্তির যে হিসেব বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, তা ঠিক নয়।
প্রসঙ্গত, কুন্তলকে গ্রেপ্তারের পরই তাঁর বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর বড়লড় ভূমিকা ছিল বলে অনুমান ইডির। এদিকে ধৃত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, গোটা দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ডই নাকি কুন্তল।
[আরও পড়ুন: দিল্লিতে ইডি দপ্তরে হাজিরা দিলেন অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ বিজয় রজক, জানেন কে এই ব্যক্তি?]
সর্বশেষ খবর
-
যুবতীর দেহ হাসপাতালে রেখেই পলাতক, খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার লিভ ইন পার্টনার-সহ ২
-
পুড়ল হেমন্ত-রাহুলের কুশপুতুল, পদত্যাগের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাওয়ের ডাক ঝাড়খণ্ডের ছাত্রবিক্ষোভে
-
ঢাকার পাক দূতাবাসের মদতে পাকিস্তানে ভারতীয় সিমকার্ড পাচার! কোচবিহার কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়
-
পঞ্চভূতে বিলীন রাজা সেন, চোখের জলে বিদায় জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালককে
-
‘কী করছেন, সমস্ত রিপোর্ট আছে’, দলের বিধায়কদের চরম হুঁশিয়ারি শমীকের