Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

মদ মেশানো ফলের রস খাইয়ে ধর্ষণ, সিনিয়রের বিরুদ্ধে অভিযোগ ডাক্তারি ছাত্রীর

নেশা হওয়ার পরই তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০১৮, ১৭:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০১৮, ১৭:১২

options
link
মদ মেশানো ফলের রস খাইয়ে ধর্ষণ, সিনিয়রের বিরুদ্ধে অভিযোগ ডাক্তারি ছাত্রীর zoom
ছবি: প্রতীকী

অর্ণব আইচ:  জোর করে সহবাস। তারপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অস্বীকার। এক ডাক্তারি ছাত্রের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনলেন প্রথম বর্ষের ডাক্তারি ছাত্রী। হোটেলের রুমে ফলের রসের মধ্যে মদ মিশিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে। তখন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দেয় ওই ছাত্র। ছাত্রীর থেকে টাকা নেয় বলেও অভিযোগ। উত্তর কলকাতার টালা থানায় এই ছাত্রের বিরুদ্ধে পুলিশে জানান অভিযোগকারিণী। প্রকাশ্যে আসে সব ঘটনা।

[রথযাত্রার অনুমতি না মিললে রাজ্যজুড়ে চলবে আইন অমান্য, হুঁশিয়ারি দিলীপের]

পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতার একটি মেডিক্যাল কলেজের প্রথম বর্ষে পড়েন ওই ছাত্রী। কলেজের ফেস্টে অন্য এক মেডিক্যাল কলেজের ফাইনাল ইয়ারের  ছাত্রের সঙ্গে পরিচয় হয়। ওই ছাত্রের বাড়ি রাজস্থানে। কলকাতায় হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করত। ছাত্রীর অভিযোগ, পরিচয় হওয়ার পর ওই ছাত্র তাঁকে অন্য একটি মেডিক্যাল কলেজের ফেস্টে আমন্ত্রণ জানায়। সেখানে মোবাইল নম্বর চেয়ে নেয়। তারপর থেকে বিভিন্ন অছিলায় ছাত্রটি কলেজে এসে ওই ছাত্রীর সঙ্গে দেখা করত। দু’জনের মধ্যে ভাল সম্পর্ক তৈরি হয়। তাই ওই ছাত্র টাকা চায় বলে অভিযোগ। বন্ধু বলে ওই সিনিয়র ছাত্রকে ৩৪ হাজার টাকা দেন অভিযোগকারিণী। গত অক্টোবরে পুজোর আগে পার্ক স্ট্রিটের একটি হোটেলে তাঁকে রাতে আসতে বলে ছাত্র। রাত বারোটা নাগাদ হোটেলে পৌঁছন ওই ছাত্রী। খাওয়াদাওয়া চলাকালীন তাঁকে একটি গ্লাসে ফলের রস দেওয়া হয়। খাওয়ার পর বুঝতে পারেন, তাতে মদ মেশানো আছে। জোর করে পুরো গ্লাস শেষ করতে বাধ্য করানো হয় নির্যাতিতাকে। নেশা হওয়ার পর ওই ‘সিনিয়র’ তাঁকে ধর্ষণ করেন বলে ছাত্রীর অভিযোগ। তারপর ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দেয় সে। পরের মাসে ছাত্রী বুঝতে পারেন যে, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। হোয়াটস অ্যাপে অভিযুক্তকে জানান ওই ছাত্রী। কিন্তু তাঁকে ছাত্রটি বলে, এখনই তার পক্ষে বিয়ে সম্ভব নয়। আপাতত গর্ভপাত করিয়ে নিক। পরে বাড়ির সঙ্গে কথা বলে তারা বিয়ে করবে। তার কথা বিশ্বাস করে হাসপাতালের এক চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেয়ে গর্ভপাত করান অভিযোগকারিনী।

Advertisement

[প্রয়াত পণ্ডিত অরুণ ভাদুড়ি, শোকস্তব্ধ সংগীত মহল]

ছাত্রীর অভিযোগ, তারপর থেকে পরীক্ষার দোহাই দিয়ে এড়িয়ে চলতে শুরু করে ওই সিনিয়র। কিছুদিনের মধ্যে ফের তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে সে। ৩৩, ৫০০ টাকা চায় নির্যাতিতার থেকে। সেই টাকা দিয়েও দেন ওই ছাত্রী। এরপর থেকে ওই ছাত্রী বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন। ক্রমাগত চাপ দেওয়ার পর ছাত্রটি সরাসরি তাঁকে জানিয়ে দেয়, সে বিয়ে করতে পারবে না। কারণ, মা-বাবা অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করেছে। থানায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ করেন নির্যাতিতা। পুলিশকে জানান, এবার আত্মহত্যা ছাড়া তাঁর আর কোনও গতি নেই। তখন ওই ছাত্র তাঁকে আত্মহত্যাই করতে বলেন। এরপর নিজের মনকে শক্ত করেন ওই ছাত্রী। নিজের জীবন শেষ না করে ছাত্রকেই শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। টালা থানায় গিয়ে ওই ডাক্তারি ছাত্রের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ছাত্রটির বিরুদ্ধে মামলা শুরু করে। ছাত্রীর মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.