শুভময় মণ্ডল: করোনাসুরকে বধ করতে হবে। তাই প্রয়োজন দূরত্ব বজায় রাখার। তবে তা বলে মানসিক দূরত্ব তৈরি হলে চলবে না। বিপদের দিনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা ভুললে চলবে না। পরিবর্তে বাড়াতে হবে একতা। দূরে থেকেও দাঁড়াতে হবে সকলের পাশে। এই মন্ত্রকে পুঁজি করেই লকডাউনের সময় দুস্থদের পাশে দাঁড়াল শহরের সেরা পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে অন্যতম দমদম তরুণ দল। গরিব মানুষদের হাতে চাল, ডাল-সহ নানা শুকনো খাদ্যসামগ্রী তুলে দিলেন তাঁরা।
করোনা সংক্রমণ নিয়ে ত্রস্থ গোটা বিশ্ব। বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, মারণ ভাইরাসকে হারাতে গেলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ছাড়া কোনও বিকল্প রাস্তা নেই। তাই দফায় দফায় লকডাউনের কথা ঘোষণা করে সরকার। আর তার জেরে বন্ধ রয়েছে সমস্ত কল কারখানা। দিন আনি দিন খাই মানুষেরা পড়েছেন বিপাকে। বন্ধ আয়। কীভাবে অর্থ উপার্জন করে পেট চালাবেন, তাও বুঝতে পারছেন না তাঁরা। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই তাঁদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। সেই স্রোতে গা ভাসিয়েই বিপদের দিনে দুস্থদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ দমদম তরুণ দলের।

[আরও পড়ুন: মাস্ক না পরে বাজারে, বারণ করায় হাওড়ায় সিভিক ভলান্টিয়ারের সঙ্গে হাতাহাতি মহিলার]
রবিবার সকালে দূরত্ব বজায় রেখে সারিবদ্ধভাবে ভিড় জমান স্থানীয় দুস্থ মানুষজন। লাইনে দাঁড়ানো প্রত্যেকের মুখে ছিল মাস্ক। ক্লাবের উদ্যোক্তারাও লকডাউনে সমস্ত নিয়মবিধি মেনে মাস্ক পরে দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়িয়েছিলেন। ছিলেন এই ক্লাবের গতবারের থিমশিল্পী অনির্বাণ দাস এবং চলতি বছরের জন্য নির্বাচিত থিমশিল্পী দেবতোষ কর। তাঁরাই অন্তত ৪০০-৫০০ দুস্থ পরিবারের সদস্যদের হাতে চাল, ডাল, ডিম-সহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। লকডাউন চলাকালীন আগামী কয়েকদিন এভাবে তাঁরা মানুষের পাশে দাঁড়াবেন বলেই সিদ্ধান্ত দমদম তরুণ দলের সদস্যদের।
[আরও পড়ুন: করোনায় ‘রেড জোন’ হাওড়ায় লকডাউন সফল করতে মরিয়া প্রশাসন, তবু নিয়ম ভাঙা চলছেই]
সর্বশেষ খবর
-
‘বিশেষ তাড়া নেই’, তারেকের ভারত সফর প্রসঙ্গে বার্তা বাংলাদেশের, কোন পথে কূটনীতি?
-
ইউটিউবে পড়াশোনা! মেধার জোরে ইসরোয় কাজের সুযোগ নদিয়ার অ্যাম্বুল্যান্স চালকের
-
পথ দেখিয়েছেন মুস্তাফিজুর রানা, এবার ডোমকলে সমবায় সমিতির নির্বাচনে উড়ল লাল আবির
-
ডার্বিতে হ্যাটট্রিকে বাইচুংয়ের পাশে, ডুরান্ড দৌরাত্ম্যে ‘ঘরের ছেলে’ এডমুন্ডের হুঙ্কার, ‘সবে তো শুরু’
-
বিশ্বে প্রথম আইভিএফ পদ্ধতিতে দেশীয় প্রজাতির গরুর জন্ম! ঐতিহাসিক কাণ্ড অসমে