Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
TMC

‘বাংলায় সংখ্যালঘুরা বঞ্চিত, বিজেপিকে নিয়ে ভয় দেখানো হয়েছে’, সংখ্যালঘুদের হয়ে সওয়াল দিলীপের

পালটা দিলেন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৩, ১১:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৩, ১১:৪৫

options
link
‘বাংলায় সংখ্যালঘুরা বঞ্চিত, বিজেপিকে নিয়ে ভয় দেখানো হয়েছে’, সংখ্যালঘুদের হয়ে সওয়াল দিলীপের zoom
ফাইল ছবি।

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সংখ্যালঘুদের হয়ে সওয়াল করলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। দাবি করলেন, বাংলায় সংখ্যালঘুরা বঞ্চিত। বললেন, মোদি সরকারের পাশে থাকলে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন তাঁরা।

কলকাতায় থাকলে নিয়মিত প্রাতঃভ্রমণে বের হন দিলীপ ঘোষ। সেখান থেকে একাধিক ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশ করেন। শুক্রবারও তার অন্যথা হল না। একাধিক ইস্যুতে তোপ দাগলেন রাজ্যকে। এদিন সংখ্যালঘুদের হয়ে সওয়াল করলেন দিলীপ ঘোষ। বললেন, “এ রাজ্যে ৩০ শতাংশ মানুষ সংখ্যালঘু। ভেবে দেখার বিষয়, স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তারা কী পেয়েছেন? এই ৩০ শতাংশ মানুষ যদি পিছিয়ে থাকে, রাজ্য এগোবে কীভাবে?” দাবি করলেন, সারা দেশে সংখ্যালঘুদের উন্নয়নে মোদি সরকার অনেক পরিকল্পনা করছেন। বিশেষ করে গরীব কল্যাণ যোজনার সব থেকে বেশি সুবিধা গরীব সংখ্যালঘুরা পেয়েছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নেতাই হত্যা মামলা: একযুগ পর জেল থেকে ছাড়া পেলেন অভিযুক্ত ডালিম পাণ্ডে, তপন দে]

দিলীপ ঘোষের কথায়, পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘুরা বঞ্চিত। তাঁদের এতদিন বিজেপি সম্পর্কে ভয় দেখানো হয়েছে। বলা হয়েছে, বিজেপি এলে কী না কী হয়ে যাবে! অথচ সারা দেশে বিজেপি এসে গিয়েছে। বিজেপি সাংসদের কথায়, “শিক্ষা-স্বাস্থ্য থেকে এতদিন ওদের বঞ্চিত করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে হাতে বোমা, বন্দুক তুলে দেওয়া হয়েছে। ওদের এবার ভাবতে হবে, তাঁরা মোদির সঙ্গে থেকে সুবিধা পাবেন, না দিদির সঙ্গে থেকে আজীবন গরীব হয়ে জীবন যাপন করবেন।” এবিষয়ে তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন বলেন, “ওনারা জানেন কে কী করেছে। তাই জন্যই দিদির সঙ্গে রয়েছেন।”

এদিন মিড ডে মিলে বাসি খাবার প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “দুর্ভাগ্যজনক। শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ। কেন্দ্র মিড ডে মিলে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। যাতে দরিদ্র বাচ্চারা লেখাপড়া করতে স্কুলে আসে। তাঁদের উচ্ছিষ্ট খাওয়ানো হচ্ছে। কারা এরা? কী ধরনের লোক এরা? আর এসব খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় দল এলে তার বিরোধিতা করা হচ্ছে! ওই লোকরাই বিরোধিতা করছে, যারা বাচ্চাদের উচ্ছ্বিষ্ট খাওয়ায়। সব সমাজবিরোধী আজ তৃণমূল নেতা। তাদের কাছে কোনও মানবিকতা বা ভাল কিছু আশা করা যায় না।”

[আরও পড়ুন: ‘একতা যাত্রা’র মাঝে আচমকা ৪৬ বছর আগের সহকর্মীর বাড়িতে রাজ্যপাল, ভাসলেন আবেগে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.