দীর্ঘদিন ধরেই ১০০ দিনের কাজ নিয়ে মামলা চলছে কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court)। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের মন্তব্য, ”১০০ দিনের কাজের টাকা সরাসরি শ্রমিকদের হাতে যাক।” তিনি আরও বলেন, “যারা মনরেগায় কাজ করেন তাঁরা গরিব। তাই টাকার ব্যবস্থা করাই আমাদের লক্ষ্য।”
রাজ্যে বন্ধ থাকা ১০০ দিনের প্রকল্প চালু করতে গতবছর জুন মাসে কেন্দ্রকে নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। কোনও কেন্দ্রীয় প্রকল্প অনন্তকালের জন্য ঠান্ডা ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া যায় না, বলে মন্তব্য করেন কলকাতা হাই কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। এই রায়ের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্র। শীর্ষ আদালতে মামলাটি ওঠে বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে। শুনানি শেষে ১০০ দিনের টাকা দেওয়া নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের রায়কে বহাল রাখে ডিভিশন বেঞ্চ। কিন্তু এই সংক্রান্ত আরও একাধিক মামলা রয়েছে কলকাতা হাই কোর্টে। সেই মামলার শুনানিতে বুধবার রাজ্যের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কেন্দ্র যা অভিযোগই করুক না কেন সবার আগে টাকা দিতে হবে।” পালটা কেন্দ্রের ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল বলেন, “ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ছিল, দুর্নীতি হয়েছে। দোষীদের শাস্তি ও তদন্ত চালাতে হবে। আর গোটা দুর্নীতির সঙ্গে রাজ্য যে যুক্ত, সেটা প্রমাণিত। তাই তাদের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। রাজ্যের বিরুদ্ধেই মূল অভিযোগ। এখন এই মামলার পিছনে তাঁদের কী উদ্দেশ্য?
আরও পড়ুন:
দু’পক্ষের সওয়াল জবাবের মাঝে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বলেন, “যারা মনরেগায় কাজ করেন তাঁরা গরিব। তাই টাকার ব্যবস্থা করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা সবাই চাই টাকা ১০০ দিনের টাকা পৌঁছে যাক শ্রমিকদের হাতে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি।
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে