৪ শ্রাবণ  ১৪২৬  শনিবার ২০ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

অর্ণব আইচ: সপ্তাহ শেষের রাতে বেপরোয়া বাইক বাহিনী। হেলমেট না পরে এক বাইকে তিনজন করে ঘুরে বেড়ানো রাতের শহরে। শনিবার রাতে তা আটকাল পুলিশ। একসঙ্গে কলকাতার ৪৮টি জায়গায় নাকা চালিয়ে ১ হাজার ২৭৮ জনকে ধরল পুলিশ। রাতে মোট ২ হাজার ১৭৮ জনকে ধরা হয়।

[আরও পড়ুন: শিক্ষকদের বিধানসভা ঘেরাওয়ে ধুন্ধুমার, দ্রুত স্থায়ীপদে নিয়োগের আশ্বাস পার্থর]

শহরের রাস্তায় প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়াকে হেনস্তা করার পর থেকেই রাতের শহরে বেপরোয়া বাইকবাহিনীর বিরুদ্ধে শুরু হয় পুলিশের অভিযান। ট্রাফিক পুলিশের এক কর্তা জানান, গত সপ্তাহে প্রায় প্রত্যেকদিনই হঠাৎ এই নাকা শুরু হয়। কাউকে বলা হয়নি কখন এই নাকা হবে। কোনওদিন ৬০০ আবার কোনওদিন ৮০০ জন আইন না মেনে বাইক চালিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। শনিবার সপ্তাহের শেষের রাতে সারা শহরজুড়ে যে বাইকবাহিনী তাণ্ডব চালানোর চেষ্টা করবে, সেই বিষয়ে ট্রাফিকের কর্তারা নিশ্চিত ছিলেন। তাই তাঁরা বেশি রাতে শহরের মোট ৪৮টি জায়গায় নাকা শুরু করেন। বেপরোয়া বাইক দেখতে পেলেই আটকানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, একটি বাইকে তিনজন বা অনেক সময় তারও বেশি আরোহী থাকার প্রবণতা বেড়েই চলেছে। তাদের কারও মাথায় হেলমেট থাকছে না। তার উপর প্রচণ্ড গতিতে বেপরোয়াভাবে বাইক চালাচ্ছে তারা। আবার তাদের মধ্যে মদ্যপান করে বাইক চালানোর প্রবণতাও রয়েছে।

শনিবার রাতে থানা ও ট্রাফিক পুলিশ একসঙ্গে রাস্তা আটকে নাকা চেকিং শুরু করে। প্রত্যেকটি বাইক পরীক্ষা করা হয়। বাইক আরোহী হেলমেট পরে থাকলেও সে মদ্যপান করেছেন বা তার বাইকের লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। হেলমেট না থাকলে বা ‘ট্রিপল রাইডিং’য়ের ক্ষেত্রে কাউকেই রেহাই দেওয়া হয়নি। রাতে মোট ২ হাজার ১৭৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। তাদের মধ্যে ৫৯২ জন হেলমেট বিহীন বাইক চালানোর জন্য ও ১ হাজার ২৭৮ জনের বিরুদ্ধে ‘ট্রিপল রাইডিং’য়ের অভিযোগ আনা হয়। মোট ৭৭টি বাইক পুলিশ আটক করেছে। সারা সপ্তাহজুড়েই এই নাকা চালানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: মাথায় জমেছে বরফ! বাংলাদেশের গৃহবধূকে সুস্থ করলেন কলকাতার চিকিৎসক]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং