রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: রাজ্যে পুরভোটের দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। পুরভোটকে সামনে রেখে তৎপর গেরুয়া শিবির। দিনক্ষন এখনও ঘোষণা না হলেও পুরভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তাঁর মন্তব্য, “আগেরবারের মতো পুরভোটে এবারও গন্ডগোল করবে তৃণমূল। কিন্তু পাঁচ বছর আগের পরিস্থিতি যা ছিল, এখন তার বদল হয়েছে। এখন বিজেপির ১ কোটি সদস্য। ১৮জন সাংসদ। বিজেপি কাউকে ফাঁকা মাঠ ছাড়বে না। এটা ভেবে তৃণমূল এগোক।” একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, অবাধ ভোট না হলে মুখ্যমন্ত্রী জানেন তার দল নির্বাচনের জিততে পারবে না। এদিন শাহিনবাগের আন্দোলন প্রসঙ্গেও বিতর্কিত মন্তব্য করেন বিজেপি সাংসদ।
মঙ্গলবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সিএএ ইস্যু থেকে শুরু করে আসন্ন পুর নির্বাচন-বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যের শাসকদলকে আক্রমণ করেন তিনি। সিএএ বিরোধিতায় কলকাতার রাজপথে নেমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আঁকা নিয়েও কটাক্ষ করেন দিলীপ। বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী অনেকদিন পর ছবি আঁকার সুযোগ পেয়েছেন। হতাশ হলেই মানুষ ছবি আঁকেন, গান করেন, গিটার বাজান। মুখ্যমন্ত্রী এখন হতাশ। আসলে সিএএ বিরোধিতায় আন্দোলনে ওঁর (মুখ্যমন্ত্রী) সঙ্গে এখন আর মানুষ নেই। তাই শিল্পী, সাহিত্যিকদের সঙ্গে সময় দিতে হচ্ছে। যাদের সমাজ ও গণআন্দোলনে কোনও প্রভাব নেই।”
[আরও পড়ুন: ঝঞ্ঝাট এড়াতে উৎসবে আসেননি আত্মীয়রা, করোনা আতঙ্কে ফাঁকা চায়না টাউন]
এদিন শাহিনবাগ আন্দোলন প্রসঙ্গেও বিতর্কিত মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। বলেন, “সেখানে দিনরাত পাঁচ ডিগ্রিতে মহিলা, শিশুরা রয়েছে। কেউ মরছে না। কী অমৃত খাচ্ছে ওরা! শাহিনবাগ আন্দোলনের ভিতরে কী হচ্ছে, কোথা থেকে টাকা আসছে তা আমরা বের করবই।” বরাবরই বেলাগাম বিজেপি সাংসদ। বিতর্ক সত্ত্বেও নিজের অবস্থানে অনড় তিনি। দিলীপ ঘোষের এদিনের মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় বিভিন্ন মহলে।
[আরও পড়ুন: কেমন আছে পরিবার? শান্তিনিকেতনে বসে চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন বিশ্বভারতীর চিনা পড়ুয়ারা]
সর্বশেষ খবর
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?
-
রুপোর গ্লাসে জল খান কঙ্গনা রানাউত! উপকারিতা জানলে আপনিও খাবেন
-
মাছের আড়ালে গরুর মাংস পাচার! উত্তরপ্রদেশে বাজেয়াপ্ত ১.৬৮ কোটির অবৈধ ব্যবসা
-
টানা বৃষ্টিতেও পুরোদমে চলছে এসি? জেনে নিন কোন ভুলে হতে পারে চরম ক্ষতি
-
‘আমার কাছে এলে রেজিনগর থেকে বিধানসভায় পাঠাতে পারি’, মমতাকে ‘অফার’ হুমায়ুনের