দিশা ইসলাম, বিধাননগর: নিউটাউনে এক স্কেটিং কোচের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, কুপ্রস্তাব, হুমকি এবং অভব্য আচরণের অভিযোগ উঠল। নিগ্রহের অভিযোগে বিধাননগর কমিশনারেটের নিউটাউন থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন জাতীয় স্তরের এক রোলার স্কেটিং প্লেয়ার।
বিষয়টি নিয়ে রোলার স্কেটিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়াতেও অভিযোগ দায়ের করেছেন সোনারপুর অঞ্চলের বাসিন্দা বছর পঁচিশের ওই তরুণী। কোচের বিরুদ্ধে নিগৃহীতা স্কেটিং খেলোয়াড়ের অভিযোগ, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি বিশাখাপত্তনমে ন্যাশনাল স্কেটিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ‘‘সেই সময় অভিযুক্ত কোচ ডিস্কোতে এবং লং ড্রাইভে নিয়ে যান। তারপর বেডরুমে ডেকে পাঠান। সেখানে কুপ্রস্তাব দেন।’’
[আরও পড়ুন: অচেতন ব্যক্তির উপর প্রস্রাব, মাথায় লাথি! ভিডিও ভাইরাল হতেই তৎপর যোগীরাজ্যের পুলিশ]
তরুণীর আরও অভিযোগ, ‘‘২০২১ সালে দিল্লির জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতাতেও ওই কোচ আমাকে ফের কুপ্রস্তাব দেন। হোটেলের লোকেশন শেয়ার করতে বলেন। আবার ২০২২-এ বেঙ্গালুরুতেও একই প্রস্তাব পাই।’’ জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত কোচ কিছুদিন হল এ রাজ্যের একটি স্কেটিং কোচিংয়ের দায়িত্বে এসেছেন। নিউটাউন শহরে সেন্ট্রাল মলের কাছে ফ্ল্যাটে থাকেন। সেখানেও সোনারপুরের ওই স্কেটিং প্লেয়ারকে বারে বারে ডেকে পাঠান তিনি। তরুণী জানিয়েছেন, ‘‘চলতি মাসের ২ তারিখে নিউটাউনের ক্লক টাওয়ারের কাছে স্কেটিং অনুশীলন চলাকালীন ওই কোচ আমাকে প্রাণে মারার হুমকি দেন। তাই বাধ্য হয়েই পুলিশের দ্বারস্থ হয়ে কোচের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করি।’’
যদিও অভিযুক্ত কোচ সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘উনি যা বলছেন সব মিথ্যে। তরুণী জোর করে জেলায় একটি পদ পেতে চাইছিলেন। সেটা না হওয়াতেই উনি এসব করছেন। আমি নিজেই পুলিশের কাছে দেখা করতে যাব।’’
[আরও পড়ুন: কলকাতা পুলিশে প্রচুর নিয়োগ, মন্ত্রিসভার বৈঠকে দার্জিলিংয়ের পর্যটন নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত]
সর্বশেষ খবর
-
পাঁশকুড়া ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত পাচার! দুর্নীতিদমন শাখার হাতে গ্রেপ্তার দালাল, কতদূর ছড়িয়ে জাল?
-
জেরায় একাধিক অসঙ্গতি, তারাপীঠ অগ্নিকাণ্ডে গ্রেপ্তার হোটেল মালিকের ছেলে
-
মুসলিমদের জন্য কেন আলাদা বেসিন! মার্কিন বিমানবন্দরের প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ টেক্সসের গভর্নরের
-
আশিসের মৃত্যুর তদন্তে ফরেনসিক টিম-তৎপর সিআইডি, নজরে টিআরডিএ-র পুরনো দুর্নীতির অভিযোগও
-
‘হাম দো হামারে দো’, এবার দু’য়ের বেশি সন্তান ঠেকাতে আইন আনছে স্বাস্থ্যদপ্তর!