Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬
Kolkata News

চিকিৎসকদের অনুষ্ঠানে আর মদ্যপান নয়, প্রস্তাব কেন্দ্রের

সুস্থ থাকার জন্য চিকিৎসক রোগীদের মদ‌্যপান থেকে বিরত থাকতে পরার্মশ দেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৩, ১০:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৩, ১০:১১

options
link
চিকিৎসকদের অনুষ্ঠানে আর মদ্যপান নয়, প্রস্তাব কেন্দ্রের zoom

ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: সুস্থ হতে চিকিৎসক ভরসা। কিন্তু সেই চিকিৎসকই যদি মদ‌্যপান করে অসুস্থ হন তবে কী বার্তা যাবে সমাজে? তাই চিকিৎসকদের অনুষ্ঠানে মদ‌্যপান থেকে বিরত থাকতে সরাসরি চিঠি দিয়ে প্রস্তাব দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ‌্যমন্ত্রক। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ‌্যমন্ত্রকের বার্তা, সুস্থ থাকার জন‌্য চিকিৎসক রোগীদের মদ‌্যপান থেকে বিরত থাকতে পরার্মশ দেন। পরামর্শ দেন ধূমপান ও গুটখা জাতীয় নেশা না করার। ‘নন কমিউনিকেবল ডিজিজ’ থেকে কী ধরনের মারণরোগ হয় এবং ফি বছর কত মানুষের মৃত্য়ু হয় তার একগুচ্ছ তালিকা তুলে ধরা হয়েছে কেন্দ্রের চিঠিতে। সেই সব উদাহরণ তুলে ধরে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ‌্য অধিকর্তা ডা. অধ‌্যাপক অতুল গোয়েলের প্রস্তাব যে কোনও আলোচনা, কর্মশালা, শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের পর লাঞ্চ বা ডিনার হয়। কিন্তু সেই লাঞ্চ বা ডিনারের অনুষঙ্গ যেন মদ‌্যপান কখনওই না হয়।

[আরও পড়ুন: চিকিৎসার খরচ সামলাতে সর্বস্বান্ত, ক্যানসার আক্রান্ত স্ত্রীর খুন করে স্বামী আত্মঘাতী]

দেশের স্বাস্থ‌্য অধির্কতার এই চিঠি ইতিমধ্য়েই রাজ‌্যগুলির স্বাস্থ‌্যসচিব এবং চিকিৎসক সংগঠনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ‌্য অধিকর্তার প্রস্তাব চিকিৎসকই যদি সুরা পান করেন তাহলে তিনি কীভাবে রোগী বা অন‌্যকে এই অভ‌্যাস থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেবেন? উদাহরণ হিসাবে চিঠিতে উল্লেখ‌ করা হয়েছে, সংক্রামক রোগ ছাড়া ৬৩ শতাংশ রোগীর মৃত্যু হয় নন কমিউনিকেবল ডিজিজে। যার নেপথ্যে রয়েছে সুরাপান এবং তামাক বা গুটখা জাতীয় নেশার ফলে। এর মধ্যে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে ২৭ শতাংশ রোগীর মৃত্যু হয়। এছাড়াও সিওপিডিতে ১১ শতাংশ, ক‌্যানসার ৯ শতাংশ এবং ডায়াবেটিসে ৩ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়। এসবের পিছনে রয়েছে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, মদ‌্যপান, ধূমপান বা তামাকজাতীয় নেশা। দেশের স্বাস্থ‌্য অধিকর্তার বক্তব‌্য থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট, রোগীদের পরামর্শ দেওয়ার আগে নিজেরা নেশা বর্জন করুন। তবেই বাকিরা অনুপ্রাণিত হবেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ‌্য অধির্কতার বক্তব‌্যকে সমর্থন করছেন সব চিকিৎসক সংগঠন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আইএমএর সর্বভারতীয় সম্পাদক শদর আগরওয়াল প্রস্তাবের সমর্থন করেছেন। অ‌্যাসোসিয়েশন অফ হেলথ সার্ভিসেসে ডক্টর্সের সাধারণ সম্পাদক ডা. মানস গুমটা বলেন, শুধুমাত্র চিকিৎসক নয়, সুস্থ জীবন যাপনের জন‌্য সবাইকে যে কোনও নেশা থেকে মুক্ত থাকতে হবে। চিকিৎসক সংগঠনের মতোই বিশেষজ্ঞরাও এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেছেন। বিশিষ্ট শল‌্য চিকিৎসক ডা. দীপ্তেন্দ্র সরকারের কথায়, আগে মনে করা হত পরিমিত মদ‌্যপান শরীরের পক্ষে ভাল। কিন্তু এখন বোঝা যাচ্ছে মদের সবটাই খারাপ। অবশ‌্যই বর্জনীয়। বিশিষ্ট হেমাটোলজিস্ট ডা. তুফান দলুইয়ের কথায়, ‘‘চিকিৎসকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সবার মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে। নেশামুক্ত সমাজ মানেই সুস্থ সমাজ। এই ধারণা তৈরি হলে রোগ-ব‌্যাধি অনেক কমবে।’’

[আরও পড়ুন: সিগারেট মুখে জাতীয় সংগীতকে অপমান! ভিডিও ভাইরাল হতেই বিপাকে ২ স্কুলছাত্রী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.