Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
West Bengal Assembly

৩ বছর না হলে পঞ্চায়েতে অনাস্থা নয়, ‘মানুষের রায়কে সম্মান জানিয়ে’ বিল পাশ বিধানসভায়

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে অনাস্থার মেয়াদ এক বছর থেকে বাড়িয়ে আড়াই বছর করা হয়েছিল। বিলটি এদিন পাস হলেও রাজ্যপাল সম্মতি দিলে তা আইনে পরিণত হবে।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১২:৩৫

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১২:৩৫

options
link
৩ বছর না হলে পঞ্চায়েতে অনাস্থা নয়, ‘মানুষের রায়কে সম্মান জানিয়ে’ বিল পাশ বিধানসভায় zoom
গ্রাফিক্স: সুলগ্না ঘোষ

মানুষের রায়কে সম্মান জানিয়ে উন্নয়নের কর্মসূচি সময়মতো কার্যকর করার তাগিদে পঞ্চায়েতে অনাস্থা আনার সময়সীমা সংশোধন করল রাজ্য সরকার। শনিবার সপ্তদশ বিধানসভার শেষ দিনে পঞ্চায়েতের অনাস্থা সংক্রান্ত সংশোধনী বিলে প্রস্তাব আনা হয়, আড়াই বছরের পরিবর্তে এখন থেকে তিন বছরের আগেই পঞ্চায়েত-সমিতি ও জেলা পরিষদের পদাধিকারীদের অপসারণ করতে অনাস্থা আনা যাবে না।

বিল পাস হওয়ার পর রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের যুক্তি অনেকেই নতুন নির্বাচিত হয়ে ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের নানা পদে দায়িত্ব নেন। এছাড়াও ডিসেম্বর মাসে গ্রামে ধান-ফসল উৎপাদনের পর পুরোপুরি উন্নয়নের কাজে সময় দিতে পারেন। প্রকল্পের বরাদ্দগুলিও আর্থিক বছরের শুরুতে আসে। স্বভাবতই সময় নিয়ে নির্বাচনে প্রতিশ্রুতি দেওয়া উন্নয়নমূলক কাজগুলি বাস্তবায়িত করতে হাতে যথেষ্ট সময় প্রয়োজন। তাই গ্রামোন্নয়নের ত্রিস্তরে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব নেওয়া নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সুনির্দিষ্ট সময় দেওয়া প্রয়োজন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তিনি বলেন, “মানুষ তাঁদের নির্বাচনী রায়ে জনপ্রতিনিধিদের পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত করে পাঠান। বস্তুত, সেই কারণে মানুষের রায়কে সম্মান জানিয়ে উন্নয়নের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সময় দিতেই অনাস্থা আনার সময় বাড়িয়ে আড়াই থেকে তিন বছর করা হল।” উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে অনাস্থার মেয়াদ এক বছর থেকে বাড়িয়ে আড়াই বছর করা হয়েছিল। বিলটি এদিন পাস হলেও রাজ্যপাল সম্মতি দিলে তা আইনে পরিণত হবে।

পঞ্চায়েত আইন সংশোধন বিলের বিতর্কে অংশ নিয়ে এদিন বিধানসভার অধিবেশনে বিজেপির বিধায়ক অরূপ দাস অভিযোগ করেন, ভোটের আগে অন্তর্দলীয় কোন্দল বন্ধে ইচ্ছা করেই শাসকদল অনাস্থার মেয়াদ বাড়িয়ে তিন বছর করে দিল। এই সরকার ক্ষমতায় এসে গ্রামসভা ও শহরে ওয়ার্ড কমিটি তুলে দিয়েছে। যদিও বিরোধীদের এই অভিযোগ খণ্ডন করে তৃণমূলের দুই বিধায়ক অপূর্ব সরকার ও সমীর জানা জানিয়েছেন, “বিজেপি বিধায়করা বাংলার গ্রামের কোনও খবরই রাখেন না। প্রতিটি গ্রামে শীতের ফসল ঘরে ওঠার পরই ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়ম বেঁধে পঞ্চায়েতে গ্রামসভা হয়, সেখানেই এলাকার মানুষের দাবি মেনে উন্নয়নের সমস্ত প্রকল্প তুলে ধরে বাজেটে উল্লেখ করে পাস করানো হয়।”

কান্দির বিধায়ক অপূর্ব আরও বলেন, “যেকোনও জনপ্রতিনিধি ভোটের আগে মানুষের দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচিত হন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে সময় দেওয়া জরুরি। সেক্ষেত্রে অনাস্থা বাড়িয়ে তিন বছর করা অবশ্য শুধু যুক্তিযুক্ত নয়, সময়ের দাবিকে মান্যতা দেওয়া।” পরে বিরোধীদের জবাব দিয়ে বিলের সপক্ষে বলতে গিয়ে পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের ধারাবাহিক বঞ্চনা সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার গ্রামীণ উন্নয়ন শুধু থামতে দেননি তাই নয়, উলটে গোটা দেশে অনন্য নজির তৈরি করেছেন। তাঁর কর্মযজ্ঞের ধারাপ্রবাহে আরও গতি বাড়াতে অনাস্থা আনার মেয়াদ বাড়িয়ে তিন বছর করে দেওয়া যুক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.