Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Durga Puja

স্মৃতিতে টাটকা লাদাখ সংঘর্ষ, পুজোয় অতিথি তালিকা থেকে বাদ চিনা দূতাবাসের আধিকারিকরা

বেশ কয়েকবছর ধরেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোয় আমন্ত্রণ পাচ্ছিলেন চিনা আধিকারিকরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০২০, ২০:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০২০, ২০:৩৬

options
link
স্মৃতিতে টাটকা লাদাখ সংঘর্ষ, পুজোয় অতিথি তালিকা থেকে বাদ চিনা দূতাবাসের আধিকারিকরা zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাঙালির সেরা উৎসবে সংস্কৃতিচর্চার একটা বড় ভূমিকা থাকে সবসময়ে। শুধু বঙ্গসংস্কৃতিই নয়, দুর্গাপুজোকে (Durgapuja) কেন্দ্র বঙ্গের নানা প্রান্ত ছুঁয়ে যায় ভিনরাজ্য এমনকী ভিনদেশি সংস্কৃতির টুকরো অনুষ্ঠানও। সেভাবেই কলকাতায় বেশ কয়েক বছর দুর্গাপুজোর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে চিনা দূতাবাসের একটা ভূমিকা থাকত। অতিথি হিসেবে পুজোর উদ্বোধনে হাজির থাকতেন চিনা কনস্যুলেটের আধিকারিক। কিন্তু চলতি বছর আবহ সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব এবার সর্বতোভাবে ছিন্ন করেছে চিনা-যোগ। কারণ? লাদাখের (Ladakh) স্মৃতি। জুনে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় অযাচিতভাবে চিনা ফৌজের আক্রমণ এবং ২০ জওয়ানের শহিদ হওয়া বাঙালি তথা ভারতবাসীর হৃদয়কে ক্ষতবিক্ষত করেছে, যে ক্ষতয় প্রলেপ লাগাতে পারছে না আগমনি আবহও।

এ বছর কলকাতার কোনও দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে থাকবেন না চিনা দূতাবাসের (Chinese consulate) কোনও অতিথি। হয়ত কলকাতার চিনেপাড়া ট্যাংরাতেও পুরোদস্তুর বাঙালি হয়ে ওঠা চিনা বংশোদ্ভূত মানুষজনের আনন্দ কিছুটা ম্লান হয়ে আসবে। এখানে দূতাবাসের কোনও আধিকারিককে দেখা যাবে না। থাকবে না চিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। লাদাখের সংঘর্ষের প্রতিবাদ এবং দেশের বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে এ বছর এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কলকাতার পুজো উদ্যোক্তারা। বেশ কয়েকটি বিখ্যাত পুজো উদ্যোক্তার মতে, চিনা দূতাবাসের কাউকে দুর্গাপুজোয় শামিল না করার মাধ্যমেই তাঁরা চিন বিরোধিতার বার্তা পৌঁছে দিতে চান দর্শনার্থীদের কাছে। নয়ত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দর্শকরাই তাঁদের ভুল বুঝতে পারেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আসবাবে টাকা লুকিয়েও শেষরক্ষা হল না, ব্যাংক প্রতারণায় ধৃতের বাড়ি থেকে উদ্ধার নগদ ৭ কোটি!]

তবে এই সিদ্ধান্ত একতরফা নয় মোটেও। চিনা দূতাবাস সূত্রে খবর, তারাও এ বছর দুর্গাপুজোয় অংশ নিতে রাজি নয়। বিষয়টি নিয়ে অবশ্য চিনা দূতাবাস স্বভাবসুলভ নীরবতা বজায় রেখেছে। তবে এটুকু জানা গিয়েছে, এ বছর কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নেই চিনা দূতাবাস।

[আরও পড়ুন: করোনা কাঁটা, নিয়ম বদলাচ্ছে জগন্নাথপুরের চৌধুরি পরিবারের ৩০০ বছরের প্রাচীন পুজোর]

শোনা যাচ্ছে, কোনও কোনও পুজো তো আবার লাদাখ সংঘর্ষের ঘটনাই মণ্ডপে ফুটিয়ে তুলছে, যাতে রয়েছে তীব্র চিন বিরোধিতা। ফলে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবে কয়েকবছর আগে থেকে ভারত-চিন যে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধ শুরু হয়েছিল, এবার ছবি উধাও। আসলে, সীমান্তে লালফৌজের উসকানি, তাণ্ডব গত জুনেই এতটা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে যে চিনের প্রকৃত মুখ চিনতে শুরু করেছেন আমজনতা। তাতেই প্রতিবেশী দেশটির প্রতি তৈরি হয়েছে বীতরাগ। তাই দুর্গাপুজোর মতো আনন্দানুষ্ঠানে চিনকে দূরে সরিয়েই শামিল হতে চান বঙ্গবাসী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.