৯ মাঘ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৯ মাঘ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “এনআরসি করতে পাড়ায় ঢুকলে মেরে তাড়াব।” নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল, ২০১৯ (ক্যাব) নিয়ে বুধবার এমনই মন্তব্য করলেন সিপিআইএম নেতা শ্যামল চক্রবর্তী। একই সুর সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিমের গলাতেও। নাগরিকত্ব বিল (সংশোধনী)নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। অগ্নিগর্ভ হয়ে রয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত। এরমধ্যে এই বিতর্কিত বিলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।  

ইতিমধ্যে লোকসভায় পাস হয়ে গিয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। আজ রাজ্যসভায় বিল পেশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিল পেশের পর থেকে উত্তাল রাজ্যসভা। এই পরিস্থিতিতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ও এনআরসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সুর চড়াল বামেরাও। ইতিমধ্যেই একাধিক এনআরসি বিরোধিতা-সহ একাধিক দাবিতে লংমার্চ করেছেন তাঁরা। জেলায় জেলায় আন্দোলন গড়ে তুলেছে বামেরা। মিটিং-মিছিল কিছু বাদ নেই। এবার সরাসরি কেন্দ্র সরকারকে চ্যালেঞ্জ করল বামেরা।

[আরও পড়ুন : ‘মুসলিমরা এদেশে সুরক্ষিত থাকবেন’, রাজ্যসভায় আশ্বাস দিলেন অমিত শাহ]

এদিন নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন সিপিআইএম পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিমও। ক্ষোভ উগরে দিয়ে সেলিম বলেন, “দুটো জনগোষ্ঠী একসঙ্গে পাশাপাশি থাকতে পারে না, জিন্না-সাভারকররা তো এটাই বলেছিলেন। এরা ধর্মীয় উন্মাদনার ভিত্তিতে দেশভাগ করতে চাইছে।”  তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ, পাকিস্তান থেকে এটাই তো আমদানি করা হল। ওরা জাতিভিত্তিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। দেশের মধ‍্যে দেশ, ঘরের মধ‍্যে ঘর করতে চাইছে। আর শুধুমাত্র ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে এটা করতে চাইছে।” তবে এদিন শুধু মহম্মদ সেলিম নন। সুর চড়িয়েছেন সিপিআইএম নেতা শ্যামল চক্রবর্তীও। তাঁর কথায়, “বিজেপি কর্মীরা এন‌আরসি তালিকা করতে গেলে, আমাদের কমরেডরা পাড়ায় পাড়ায় ঢুকতেই দেবে না। মেরে তাড়াব।”

[আরও পড়ুন : CAB’র প্রতিবাদে অগ্নিগর্ভ অসম, বিমানবন্দরে আটকে মুখ্যমন্ত্রী]

তবে বিরোধীর অভিযোগ মানতে নারাজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে উঠে বিরোধীদের কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা হয়েছে। এই বিলের মাধ্যমে সেই সমস্ত নিপীড়িত শরণার্থীদের তাঁদের অধিকার দেওয়া হবে।” এরপরই বিরোধীদের প্রশ্নের জবাবে তাঁর আশ্বাস, “মুসলিমরা এদেশে সুরক্ষিত থাকবেন। তাঁরা এদেশের নাগরিক ছিলেন এবং থাকবেন। কোনও মুসলিমের শঙ্কার কোনও কারণ নেই। মোদি সরকারের নেতৃত্বে এদেশের মুসলিমরা নিরাপদ। যা রটানো হচ্ছে তা ঠিক নয়।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং