Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
COVID-19 রিপোর্ট

গভীর রাতে মিলল পরীক্ষার রিপোর্ট, রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাবৃদ্ধির আশঙ্কা

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই মুহূর্তে হাসপাতালে আইসোলেশনে রয়েছেন ২৩৮ জন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২০, ১০:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২০, ১০:৫০

options
link
গভীর রাতে মিলল পরীক্ষার রিপোর্ট, রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাবৃদ্ধির আশঙ্কা zoom

গৌতম ব্রহ্ম: এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যের ২৭ জন নোভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। বেশ কয়েকজনের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। মঙ্গলবার রাতে সেসব রিপোর্ট মিলেছে। স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, আলিপুরের করোনা পজিটিভ চিকিৎসকের ছেলে, মেয়ে এবং স্ত্রী – তিনজনের রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে। তিনটি রিপোর্টই পজিটিভ বলে খবর। এছাড়াও শ্রীরামপুরের ওয়ালস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই ব্যক্তির শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। এগরার এক ব্যক্তির শরীরেও সংক্রমণ রয়েছে বলে স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর। আরজিকর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক ব্যক্তির শরীরে মিলেছে সংক্রমণ। দমদম আইএলএস হাসপাতালে ইটালির মিলান ফেরত এক প্রবীনারও সংক্রমণ রয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে জানা গিয়েছিল, ঢাকুরিয়া আমরি হাসপাতালে একজনের রিপোর্ট পজিটিভ। পশ্চিম মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দাসপুরের এক যুবকের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে এবং হাসপাতালে ভরতি থাকা একটি রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এদিনই জানা যায়, হাওড়া জেলা হাসপাতালে মৃত মহিলার রিপোর্টও পজিটিভ। সব মিলিয়ে ততক্ষণে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ২৭। এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা তিন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পরিকাঠামোহীন আইসোলেশন ওয়ার্ড রেলের, নিশ্চিত মৃত্যুর ফাঁদ বলে অভিযোগ কর্মী সংগঠনের]

তবে মঙ্গলবার রাতে হাওড়ার আইএলএস হাসপাতালে ৫২ বছরের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। সন্ধেবেলা এনআরএসেও মারা গিয়েছেন বছর বাষট্টির এক ব্যক্তি। এঁদের দু’জনের শরীরেই সংক্রমণের খবর মিলেছে। সবমিলিয়ে বেসরকারি হিসেব অনুযায়ী, রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭।

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত পর্যন্ত রাজ্যে অসুস্থ ২৩৮ জনকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এক লক্ষ ৪৭ হাজার ৭৭৭ জন রয়েছেন গৃহ পর্যবেক্ষণে। এঁরা সকলেই স্থিতিশীল বলে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এই মুহূর্তে জেলা এবং কলকাতা মিলিয়ে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১৩১৭ টি আইসোলেশন বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে চলেছে। বেসরকারি কয়েকটি হাসপাতাল এগিয়ে আসায় সেখানেও আইসোলেশনের পরিকাঠামো তৈরির সম্ভাবনা।

[আরও পড়ুন: সম্পত্তি কর জমায় তিন মাস ছাড় ঘোষণা মেয়রের, দিতে হবে না সুদ ও জরিমানা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.