স্টাফ রিপোর্টার: ডিজিটাল রেশন কার্ড অথবা মোবাইল। এবার থেকে সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে গেলে যেকোনও একটা লাগবেই। বিশেষ করে মেডিক্যাল কলেজ ও জেলা হাসপাতালে। এমনই নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্য দফতর। চলতি মাসের ১৫ তারিখ থেকে কার্যকর হবে নয়া নিয়ম।
চিকিৎসা হবে নিখরচায়। কিন্তু আগে সরকারি হাসপাতালে রোগীর ওষুধ ও চিকিৎসার সরঞ্জাম বাড়ির লোককেই কিনে দিতে হত। এখন সরকারি হাসপাতালে সমস্ত পরিষেবা বিনা পয়সায় পাওয়া যায়। প্রতিদিন বর্হিবিভাগে ডাক্তার দেখানোর জন্য লম্বা লাইন পড়ে। টিকিটে রোগীর নাম, বয়স এবং ঠিকানা লিখতে হয়। লিখতে হয় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের নামও। কিন্তু রোগীরা রেশন কার্ড এন্ট্রি করলে নাম ঠিকানা বয়স লেখার সময় বাঁচবে। কারণ ডিজিটাল কার্ডে থাকা কিউআর কোড ও বারকোড স্ক্যান করলে রোগীর সম্বন্ধে প্রয়োজনীয় তথ্য ভেসে উঠবে কম্পিউটার স্ক্রিনে। ফলে আলাদা করে টিকিটে টাইপ করতে হবে না। প্রকল্পকে সফল করতে ইতিমধ্যেই খাদ্য দপ্তরের ‘খাদ্য সাথী’ প্রকল্পের তথ্যপঞ্জিকে স্বাস্থ্য দফতরের ‘ওপিডি টিকিট সিস্টেম’ সফটওয়্যারের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য কর্তারা জানিয়েছেন, নতুন ব্যবস্থা চালু হলে রোগীকে ঘন্টার পর ঘন্টা আর লাইনে দাঁড়াতে হবে না, ভোগান্তি কমবে। তবে যাঁদের এখনও ডিজিটাল রেশন কার্ড বা খাদ্যসাথী কার্ড হয়নি তাদের জন্যেও বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তাঁদের মোবাইল নম্বরকে কম্পিউটার বন্দি করে রাখা হবে। পরবর্তীকালে সেই নম্বরই ‘ইউনিক নম্বর’ হিসাবে ব্যবহার করবে হাসপাতাল। ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তিটি জনসমক্ষে টাঙিয়ে রাখার জন্যে নির্দেশ জারি করা হয়েছে। তাতে পরিষ্কার করে ডিজিটাল রেশন কার্ডের কথা উল্লেখ থাকবে।
[ রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠতে পারে কলকাতা!]
সর্বশেষ খবর
-
স্বামী, শ্বশুর-সহ প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে উদ্দাম যৌনতা, ‘মির্জাপুর’এ শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা ভাগ রসিকার
-
বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে বিপদ! মহিলাকে ‘ধর্ষণ’, ধৃত ২
-
বাড়ির চৌহদ্দিতে সংসার পেতেছে মেনি বিড়াল, বাস্তুমতে এই লক্ষণ শুভ নাকি অশনি সংকেত?
-
সাউথ সিটি থেকে অ্যাক্রোপলিস, ‘অখাদ্য’ খুঁজতে এবার কলকাতার নামী ৩ মলে অভিযান
-
ঘরে বৃদ্ধের রক্তাক্ত দেহ, কাছেই ঝোপে খোঁজ মিলল স্ত্রীর! জোড়া ‘খুনে’ চাঞ্চল্য কোচবিহারে