১৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  রবিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

প্রবল জ্বরে কাহিল খুদেকে ভরতি নিয়ে টালবাহানা, রাতভর হাসপাতালে বসে অসহায় মা-বাবা

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: September 12, 2021 8:54 pm|    Updated: September 12, 2021 8:54 pm

NRS hospital allegedly refuses to admit a 28-day child suffering from high fever | Sangbad Pratidin

ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের কাঠগড়ায় কলকাতার হাসপাতাল। অভিযোগ, ধুম জ্বর থাকা সত্ত্বেও ২৮ দিনের শিশুকে ভরতি নিতে রাজি হয়নি এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল (Nil Ratan Sarkar Medical College and Hospital)। শনিবার থেকে ওই অবস্থাতেই সন্তানকে নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে পড়ে রইলেন বাবা-মা। অবশেষে রবিবার দুপুরের পর ভরতি নেওয়া হয় খুদেকে।

জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই ধুম জ্বর ওই খুদের। প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললেও কোনও লাভ হয়নি। এরপর বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে ভরতি করা হয় শিশুটিকে। সেখানে তার অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হতে থাকে। এরপরই খুদে এনআরএস হাসপাতালে রেফার করা হয়। অক্সিজেন দেওয়া অবস্থায় শনিবার খুদেকে নিয়ে বর্ধমান থেকে কলকাতায় আসেন বাবা-মা।

[আরও পড়ুন: TMC in Tripura: ‘ত্রিপুরায় খেলতে যেতে চাই, পারলে আটকাও’, BJP-কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন অনুব্রত]

সেখানেই সমস্যার শুরু। খুদের বাবা সুজিত ডোমের অভিযোগ, বেড পাওয়া গিয়েছে জেনেই সন্তানকে নিয়ে এনআরএসে এলেও এখানে কোনও সুবিধাই পাননি তাঁরা। এমনকী শিশুটিকে প্রথমে ভরতিই নিতে চায়নি হাসপাতাল। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, শিশুটি সম্পূর্ণ সুস্থ। সোমবার আউটডোরে দেখালেই চলবে।

কিন্তু সেই সময়ও কার্যত জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে খুদের। কোনও উপায় না পেয়ে সুজিত ও তার স্ত্রী ববি সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালের বাইরে বসেছিলেন শনিবার। স্যালাইন চলছিল খুদের। সেখানেই কাটে রাত। পরে রবিবার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর শিশুটিকে ভরতির ব্যবস্থা করা হয় হাসপাতালে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, শুরু হয়েছে চিকিৎসা। তবে কেন জ্বর থাকা সত্ত্বেও প্রথমে শিশুটিকে ভরতি নিতে চায়নি হাসপাতাল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

[আরও পড়ুন: ‘লক্ষ্য এবার দেশের মাটি’, দিলীপ ঘোষের সমালোচনার জবাবে ছড়া কাটলেন মদন মিত্র]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে