২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: দলের সাংগঠনিক নির্বাচন শুরু হয়েছে। জেলাস্তরে বিভিন্ন কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে দলে আসা নবাগতদের বসানোর ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্ক হয়েই চলছে বিজেপি। অন্য রাজনৈতিক দল থেকে আসা নতুনদের মণ্ডল থেকে জেলা কমিটিতে নেওয়ার আগে বাছাই করেই নিতে চাইছে তারা। মণ্ডল সভাপতি, জেলা সভাপতি কিংবা জেলার সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দলের পুরনো মুখদেরই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

[আরও পড়ুন: যাদবপুরের সমাবর্তনে সম্মান প্রাপকদের বাছাই নিয়ে দ্বন্দ্ব, শেষ পর্যন্ত সম্মতি রাজ্যপালের]

দলের বুথ কমিটির নির্বাচন শেষের পথে। কোথাও কোথাও মণ্ডল কমিটির সাংগঠনিক নির্বাচন শুরুও হয়ে গিয়েছে। প্রায় ৭৯ হাজার বুথ রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৬৪ হাজার বুথ কমিটির নির্বাচন হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এবার শুরু হতে চলেছে মণ্ডল কমিটি গঠন। রাজ্যে ১১৬৪টি মণ্ডল রয়েছে বিজেপির। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সর্বসম্মতিক্রমেই নির্বাচিত হওয়ার কথা মণ্ডল সভাপতিদের। মণ্ডল থেকে জেলাস্তরের কমিটিতে দলে আসা নব্যরা কতটা জায়গা করে নিতে পারবেন, তা নিয়ে এখন আলোচনা চলছে দলের অভ্যন্তরে। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকে অর্থাৎ গত এক বছরে অন্য রাজনৈতিক দল থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে নেতাকর্মী আসছে গেরুয়া শিবিরে। শাসকদল থেকে পরিচিত মুখ তা হাতেগোণা হলেও যাঁরা সদ্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে অনুগামীরাও এসেছেন। আবার বাম ও কংগ্রেস থেকেও অনেক নেতা-কর্মী যোগ দিয়েছে পদ্ম শিবিরে। এই নবাগতদের সঙ্গে দলের পুরনোদের একটা দ্বন্দ্ব বারে বারে প্রকাশ্যেও এসেছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা তাই বার বার বার্তা দিয়েছেন, দলে নতুন-পুরনো মিশিয়েই চলতে হবে। অন্য রাজনৈতিক দল থেকে যাঁরা আসছেন তাঁদের জন্য দরজা খোলা রাখতে হবে। সেই দরজা রাজ্য বিজেপি খোলা রাখলেও একেবারে নবাগতদের গুরু দায়িত্ব দেওয়ার আগে স্ক্রিনিংও করে নিতে চাইছে তারা।

[আরও পড়ুন: আগামী বছর রেড রোডের কার্নিভালে অংশ নেবে UNESCO, ঘোষণা মমতার]

মণ্ডল থেকে জেলাস্তরে বাছাই করেই নতুনদের কমিটিতে রাখা হবে। অন্যদেরও পার্টির বিভিন্ন মোর্চা ও সেলে রেখে কাজের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। দলীয় সূত্রে খবর, মণ্ডল বা জেলা সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদক পদে অবশ্য দলের পুরনো সৈনিকদেরই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। এক রাজ্য নেতার কথায়, গত এক বছরে অন্য রাজনৈতিকদল থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে বিজেপিতে এসেছে। সামনে বিধানসভা নির্বাচন। সকলকেই আমরা কাজে লাগাবো। দলে দায়িত্বও দেব। তবে আগে তাদের কাজ করে নিজেদের যোগ্যতা দেখাতে হবে। আর যোগ্যদের তো গুরুদায়িত্ব দেওয়াই হচ্ছে। নতুন-পুরনো মেলবন্ধনেই চলবে দল।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং