সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৯ দিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ে চত্বরে প্রবেশ করেই ফের বিক্ষোভের মুখে অধ্যাপক ওমপ্রকাশ মিশ্র। অভিযোগ, এসএফআইয়ের ছাত্রীরা প্ল্যাকার্ড হাতে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান এদিন। রীতিমতো হাতজোড় করে অফিসে ঢোকেন ওমপ্রকাশ মিশ্র। তারপর অধ্যাপকের অফিসের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে বসে পড়েন ছাত্রীরা। এরপরই পরিস্থিতির জটিলতা বুঝে সাদা পোশাকে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এদিনের বিক্ষোভের পালটা দিয়েছেন ওমপ্রকাশ। বলেন, “এভাবে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না। আমি কাউকে ভয় পাই না।” সবমিলিয়ে বৈঠকের আগে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিশ্ববিদ্যালয়।
১ মার্চ ওয়েবকুপার বার্ষিক সভাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। তারপর পেরিয়েছে ৯ দিন। যাদবপুর থানায় এফআইআর হয়েছে। জল গড়িয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত। এসবের মাঝেই আজ, সোমবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বৈঠক হওয়ার কথা। তার আগে এদিন বেলা ১২ টা নাগাদ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছন অধ্যাপক ওমপ্রকাশ মিশ্র। ক্যাম্পাসে ঢুকেই বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। ছাত্রীরা প্ল্য়াকার্ড হাতে তাঁর পথ আটকায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ছাত্রীদের কাছে হাতজোড় করে তাঁকে অফিসে যেতে দেওয়ার কথা বলেন অধ্যাপক। পরবর্তীতে অফিসে ঢোকেন তিনি।
এরপরই প্ল্যাকার্ড হাতে তাঁর অফিসের সামনে বসে পড়েছেন আন্দোলনকারী ছাত্রীরা। কারও প্ল্যাকার্ডে লেখা, ‘আবার হেনস্তা করতে এসেছে।’ কোনওটিতে লেখা, ‘আবার মলেস্ট করতে এসেছে।’ পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতেই সাদা পোশাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছন পুলিশ আধিকারিকরা। এদিকে এদিনের ঘটনায় বেজায় বিরক্ত ওমপ্রকাশ মিশ্র। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে। আমি কোনও পদক্ষেপ করিনি। আজ ফের অশান্তি করা হচ্ছে। কেন, কারা করছে, তা সকলের জানা।” এরপরই হুঙ্কার ছেড়ে ওমপ্রকাশ বললেন, “কাউকে ভয় পাই না।” এই অশান্তির জেরে ভেস্তে যাবে না তো আজকের বৈঠক? ঘুরপাক খাচ্ছে প্রশ্ন।
সর্বশেষ খবর
-
এখনই চূড়ান্ত নয়, ওবিসি জটিলতায় একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগপত্র প্রদান স্থগিত!
-
টানা অনশনে শারীরিক অবস্থার অবনতি! হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল ঝাড়খণ্ডের ‘ওয়াংচুক’কে
-
চিনা মাঞ্জায় গলা কাটল বাইক আরোহী পুলিশ অফিসারের! মা ফ্লাইওভারে বাড়ল টহলদারি
-
ইন্দিরা হত্যাকারীর ছেলে লড়বেন পাঞ্জাব ভোটে! প্রার্থীতালিকা ঘোষণা অকালি দল ওয়ারিসের
-
কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে তিনদিন মদ বিক্রি বন্ধ! মদের দোকান নিয়ে কী প্রস্তাব?