Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৯ জুন ২০২৬
West Bengal

মার্কিন ধাঁচে বাংলায় ওয়ান হেলথ সিস্টেম! স্বাস্থ্যভবনে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক

মঙ্গলবার স্বাস্থ্যভবনে ইনস্টিটিউট হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১০:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১০:০৯

options
link
মার্কিন ধাঁচে বাংলায় ওয়ান হেলথ সিস্টেম! স্বাস্থ্যভবনে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক zoom
ফাইল ছবি

গৌতম ব্রহ্ম ও অভিরূপ দাস: অতিমারী রুখতে অভিনব ওয়ান হেলথ প্রকল্প রাজ্যের। করোনা থেকে শুরু করে ব্রুসলিস, বার্ড ফ্লু থেকে ইবোলা, স্ক্রাব টাইফাস থেকে অ্যানথ্রাক্স, রেবিস, লেপটোস্পাইরোসিস। একাধিক প্রাণঘাতী রোগ মানুষে সংক্রামিত হয় ‘না মানুষ’ থেকে। এবার এই রোগ শৃঙ্খল ভাঙার অভিনব প্রকল্প গ্রহণ করছে রাজ্য।

এখানেই শেষ নয়। শুধু পশু-পাখি থেকে নয়, রোগ আসে কৃষিজ শাকসবজি থেকেও। রোগের উৎস পরিবেশও। তাই সব ধরনের গবেষক-চিকিৎসক সংযুক্ত করে টিম বানিয়ে সুস্বাস্থ্য অর্জনের যুদ্ধে নেমে পড়েছে রাজ্য সরকার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মঙ্গলবার স্বাস্থ্যভবনে ইনস্টিটিউট হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্য চিকিৎসক থেকে পশু চিকিৎসকও। কৃষি বিজ্ঞানী থেকে পরিবেশবিদ। বৈঠকে উপস্থিত স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা জানিয়েছেন, মানুষের স্বাস্থ্য, প্রাণীর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ এই তিনটি বিচ্ছিন্ন কোনও বিষয় নয়। বরং পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত। ভবিষ্যতে রোগ প্রতিরোধ করতে হলে সমস্ত দপ্তরকে হাতে হাত মিলিয়ে একটি মৌলিক ওয়ান হেলথ সিস্টেম গড়ে তুলতে হবে।

নয়া ব্যবস্থায় গবাদি পশু প্রতিপালকদের স্বাস্থ্য নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরীক্ষা হবে। রোগ ছড়ানোর আগেই সতর্কতা, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ, মহামারীর ঝুঁকি কমানো, চিকিৎসা খরচ হ্রাস করার উদ্দেশে এই ওয়ান হেলথ সিস্টেম। ইনস্টিটিউট অফ ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার-এর অধিকর্তা ডা: কৌস্তভ নায়েক জানিয়েছেন, পরিবেশ বদলে যাচ্ছে, বাড়ছে পরিবেশ দূষণও। তার জন্যও অনেক অসুখ ফিরে আসছে। নয়া ওয়ান হেলথ সিস্টেমে বাংলায় স্বাস্থ্য দপ্তর, পরিবেশ দপ্তর, কৃষি দপ্তর, বন দপ্তর, পশুপালন দপ্তর হাতে হাত মিলিয়ে গড়ে তুলছে ওয়ান হেলথ সিস্টেম

ব্যাপক হারে বাড়ছে স্ক্রাব টাইফাস। এই অসুখের নেপথ্যে মাইট নামক একটি পোকার কামড়। সাধারণত ঝোপেঝাড়ে, জঙ্গলে এই পোকা থাকে। ডা. কৌস্তভ নায়েক জানিয়েছেন, বনদপ্তরের সহযোগিতা না পেলে ভবিষ্যতে এই স্ক্রাব টাইফাস নির্মূল করা সম্ভব নয়। তেমনই পোলট্রির মুরগিকে যথেচ্ছভাবে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। সেই মুরগির মাংসের মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক প্রবেশ করছে মানুষের শরীরেও। দীর্ঘদিন এই মুরগির মাংস খাওয়ার ফলে মানুষের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স গড়ে উঠছে। জটিল অসুখে আর অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না।

এমন ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যদপ্তরের পশু পালন বিভাগের সহায়তা চাই। সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে গ্রামগঞ্জের পোল্ট্রি ফার্মে। স্বাস্থ্যকর্তারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের বৈঠক সফল। তৈরি হচ্ছে ব্লু প্রিন্ট। আগামীতে স্বাস্থ্যদপ্তরের সঙ্গে বনদপ্তর, পরিবেশ দপ্তর, পশুপালন দপ্তর, কৃষিদপ্তর হাতে হাত মিলিয়ে ঠেকাবে অসুখ।

এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. যোগিরাজ রায়, ভাইরোলজিস্ট তথা প্রাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. সিদ্ধার্থ জোয়ারদার। সিদ্ধার্থবাবু জানিয়েছেন, চিকিৎসক, পশু চিকিৎসক, কৃষিবিদ, পরিবেশবিদ, বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ- সবাইকে নিয়ে রাজ্যস্তরে ‘ওয়ান হেলথ কমিটি’ তৈরি এবং ভবিষ্যত অতিমারী, ইমার্জিং ডিজিজ, অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের সমস্যা মোকাবিলায় রূপরেখা তৈরি একটা ল্যান্ডমার্ক সিদ্ধান্ত। সব বিষয়ের স্টেক হোল্ডাররা পারস্পরিক সহযোগিতায় কাজ করতে পারলে তা হবে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.