২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

তরুণকান্তি দাস: চপ-বেগুনি চলবে। পিঁয়াজি নয়। পুজোর বাজারে সবচেয়ে চালু রসিকতা। আরও একটা রসিকতা চালু হল বলে। বিনা মশলায় মাংস রান্নার বই এবার বেস্ট সেলার। স্বাভাবিক। পিঁয়াজ যে এখনই ৭০ টাকা কেজি। এবং সর্বভারতীয় পাইকারি বাজারের নিয়ন্ত্রক নাসিকের লাসালগাঁওয়ের দর যে দিকে এগোচ্ছে, এবার পুজোর সময় ৯০ থেকে একশো টাকা ছুঁতে পারে পিঁয়াজ।

তাও জোগান যে সবসময় থাকবে তেমন আশ্বাস কেউ দিতে পারছেন না। কারণ পুজোর ক’টা দিন কলকাতার পাইকারি বাজারে ট্রাক ঢুকবে না। তাই আগে থেকেই মজুত করতে হবে। কিন্তু অতিবৃষ্টির কারণে এবার মহারাষ্ট্র এবং দক্ষিণ ভারতের পিঁয়াজের যা মান, তাতে বেশিদিন জমিয়ে রাখা যাবে না। আড়তদাররা সেই ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। যাঁরা ঝুঁকি নেবেন, তাঁরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চাইবেন। ফলে দাম বাড়বেই। নাসিকের লাসালগাঁও সবচেয়ে বেশি রকমের পিঁয়াজের উৎপাদক। রফতানিও হয় এখান থেকে। এবার বৃষ্টিতে উৎপাদন মার খেয়েছে। যা উৎপাদন হয়েছে, তার মান ভাল নয়। মহারাষ্ট্র উৎপাদন করে দেশের মোট ফলনের প্রায় অর্ধেক।

[ আরও পড়ুন: ‘চন্দ্রযান ২-এর সাফল্য বাড়িয়ে বলা হচ্ছে’ , কে শিবনকে খোঁচা ইসরোর প্রাক্তনীদের ]

এবার কিন্তু উৎপাদন হয়েছে গতবারের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ কম। কর্ণাটক, গুজরাত রয়েছে মহারাষ্ট্রের পরই। এছাড়া মধ্যপ্রদেশ, বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশে যা উৎপাদন হয় তার কিছুটা পায় অন্য রাজ্যগুলি। পশ্চিমবঙ্গে বড় জাতের পিঁয়াজ হয় না বললেই চলে। গত দু’দিনে নাসিকের বাজারে কুইন্টাল প্রতি দাম বেড়েছে ১২০০ টাকা। ঊর্ধ্বমুখী বাজারের গ্রাফ বলছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তা আরও অনেকটাই বাড়বে। এখানকার খুচরো বাজারে কম করে ৯০ টাকায় গিয়ে দাঁড়াবে দাম। লাসালগাঁওয়ের বাজারের দেওয়া তথ্য বলছে ২০১৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এরকম দাম চড়েছিল। সেবার দাম গিয়ে দাঁড়িয়েছিল ৪৩০০ টাকা কুইন্টাল। তার সঙ্গে লরি ভাড়া, অন্যান্য খরচ মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বাজারে সেই সময় দাম হয়েছিল প্রায় ৭০ টাকা। এবার তাকেও ছাপিয়ে যাবে দাম। ফলে সেই রসিকতা সত্যি হতে চলেছে।

পুজোয় মুখরোচক চপ-বেগুনি থাকবে কিন্তু একই দামে পিঁয়াজি দেওয়া যাবে না। তাই সান্ধ্য মুখরুচিতে থাকবে না পিঁয়াজির স্বাদ। একই দিকে এগোচ্ছে রসুন এবং আদা। গুজরাত হল রসুনের সর্বোচ্চ উৎপাদক। তারা প্রায় আড়াই লক্ষ টন উৎপাদন করে। তার পরেই আছে উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশ। এবার অতিবৃষ্টিতে রসুন পচেছে ঘরে তোলার আগেই। তাই দাম যেদিকে এগোচ্ছে তাতে একশো গ্রাম কিনতে পঞ্চাশ টাকা পর্যন্ত গুনতে হবে। আদার দাম এখনই সাড়ে তিনশো টাকা কেজি। তার দামও পাঁচশো হবে অচিরেই। ফলে সেই রসিকতা সত্যি হতে চলেছে, আদা-রসুন-পিঁয়াজ ছাড়া, অর্থাৎ বিনা মশলায় মাংস হতে পারে হটকেক।

[ আরও পড়ুন: নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কাছে আটক মায়ানমারের জাহাজ, বাজেয়াপ্ত ৩০০ কোটির মাদক ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং